সাভার,আশুলিয়া ও ঢাকার ধামরাইয়ে কোন ভাবেই ফসলী জমির মাটি কাটা বন্ধ হচ্ছে না
। প্রশাসনের কঠোর নজরদারির অভাবে প্রতিনিয়ত ফসলী জমির সংখ্যা কমে আসছে মাটি খেকোদের কারণে। দিনে ও রাতে মাটি কাটা হলেও প্রশাসন দেখেও যেন না দেখার ভান করছে। রাজধানীর বেশীর ভাগ এলাকার সাভার ও ধামরাইর ফসলী জমিতে ফলানো ফসলের চাহিদা মেটালেও এখন দিন দিন ফসলী জমির সংখ্যা কমিয়ে আসায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী জানায়,সাভার,আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে অবাধে চলছে অনেক অবৈধ ইট ভাটা। এসব ইট ভাটায় এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র বিভিন্ন ফসলী জমি থেকে রাতে ও দিনে ভেকু দিয়ে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি কেটে ইট ভাটায় দিচ্ছে। যার ফলে দিন দিন ফসলী জমির সংখ্যা কমে আসছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বাধা দিলেও মাটি খেকোদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে। প্রশাসনে অভিযোগ দিলে সুফল মিলছে না। মাঝে মাঝে প্রশাসনের কর্মকর্তারা লোভ দেখানো অভিযান করলেও মাটি খেকোরা আরও শক্তিশালী হচ্ছে। মাটি খেকোরা বলছে,ছোট খোট অভিযান পরিচালনা করে তাদের মাটি কাটা বন্ধ করা যাবে না যখন প্রশাসন অভিযানে আসে তখন তারা গা ঢাকা দেন। সরেজমিনে,সাভার,আশুলিয়া ও ঢাকার ধামরাইয়ে গিয়ে দেখা যায়,মাটি খেকো ব্যক্তিরা রাতে ও দিনে বিভিন্ন ফসলী জমি থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ড্রাম ট্রাকে করে ইট ভাটায় দিচ্ছে টনকে টন। এতে করে ড্রাম ট্রাকের কারণে বিভিন্ন রাস্তা ঘাট নষ্ট হচ্ছে রাস্তা ঘাটে ধুলা বালির কারণে মানুষজন নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়াও মাটি কাটা জমি গুলোতে গভীর গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় আশেপাশের ফসলী জমি গুলোও হুমকির মুখে পড়েছে। মাটিসহ ড্রাম ট্রাক গুলোর বেপারোয়া গতিতে চলাচলের কারণে দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত। এলাকাবাসী দ্রুত এসব মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর জেল জরিমানা করার আহবান জানিয়েছেন।
এদিকে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছে,ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার সময় জেল জরিমানা করলেও কোন ভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না মাটি কাটা। এলাকাবাসী বলছে,পুলিশ প্রশাসন যদি মাটি কাটার সময় জমিতে বসে শক্ত পাহারা বসায় তা হলেও একমাত্র মাটি কাটা বন্ধ করা যেতে পারে।