এইচ এম হাকিম :
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের মিনাজপুর মাঠপাড়া গ্রামের আশাফুলের বড় কন্যা নাজমিন আক্তার (২৫) এর সাথে ১০ বছর পূর্বে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করে কুষ্টিয়া খাজানগরের আদর্শ পাড়ার জলিল খাঁ এর পুত্র বাবু খাঁ।
দাম্পত্য জীবনে প্রথম দিকে ঠিক থাকলেও নাজমিন আক্তারের কন্যা সন্তান হবার পর থেকে বিভিন্ন কলাহলের সৃষ্টি হয়,গত ৩ মাস আগে বাবু খাঁয়ের সাথে বনাবনী না হলে নাজমিন তারে ডিভোর্স দেয়, তার পর থেকেই নাজমিনের সাথে কোন প্রকারের যোগাযোগ ছিলনা বাবু খাঁর, ২০/৪/২৩ বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮:৪৫ মিনিটে নাজমিনের বাবার বাড়িতে প্রবেশ করে বাবু খাঁ, তাদের দুজনের মাঝে কথা কাটাকাটির জের ধরে নাজমিনকে এলোপাথাড়ি ভাবে হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে যখম করে তার ডিভোর্সী স্বামী।
বাবু খাঁ নাজমিন আক্তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা আটক করে জীবননগর থানা পুলিশে খবর দিলে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: নাসির উদ্দীন মৃধার দিকনির্দেশনায় দ্রুত ঘটনা স্থানে হাজির হয় এস আই সিধার্থ মন্ডল এবং এ এস আই মকলেছুর রহমান, আসামির শিকারোক্তিতে ঘটনা স্থল থেকে নাজমিনকে এলোপাথাড়ি কোপানোর কাজে ব্যবহিত হাসুয়া জব্দ করে, এবং ডিভোর্সি স্বামী বাবু খাঁকে জীবননগর থানা হাজতে নিয়ে যায়।
নাজমিনের অবস্থা গুরুতর হওয়াতে জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার রাশেদুজ্জামান রিপন তাকে যশোর ২৫০ শয্য হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: নাসির উদ্দিন মৃধা দৈনিক এই আমার দেশ পত্রিকায় সংবাদিকদের বলেন এ ব্যাপারে মেয়েটির বাবা লিখিত অভিযোগ দিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি রজু করা প্রকৃয়াধীন রয়েছে।