শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির:-
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ২২তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন, বাংঙ্গালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহাবুদ্দিন।
(২৪'শে এপ্রিল ২০২৩ইং) সোমবার সকাল ১১:ঘটিকায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশের ২২তম নব-নির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহাবুদ্দিন'কে, শপথ বাক্যপাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ডঃ শিরীন শারমিন চৌধুরী।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ কয়েকশ বিশিষ্ট অতিথি এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাহাবুদ্দিন শপথ নথিতে স্বাক্ষর করেছেন।
বাংলাদেশের ২২তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাহাবুদ্দিন'কে, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগ এর যুগ্ন-সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এড. মোঃ জামিল হাসান দুর্জয়ের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সদস্য সচিব, শ্রীপুর পৌর আওয়ামী যুবলীগ ৮নং ওয়ার্ড শাখা’র সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক, মাওনা বহুমূখী উচ্চবিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য, শ্রীপুর উপজেলা হাসপাতাল সমিতি'র যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক, মোঃ জুনাইদ হাবীব রুবেল।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করার জন্য বর্তমান রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। আমরা আশা করছি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন।
মোঃ জুনাইদ হাবীব রুবেল আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ও মাঠপর্যায়ের রাজনীতিবিদ মোঃ সাহাবুদ্দিন ২১তম রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের স্থলাভিষিক্ত হলেন। রাষ্ট্রপতি হামিদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে ৪১ দিনসহ টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসাবে ১০ বছর ৪১ দিন অতিবাহিত করার পরে অবসরে যাচ্ছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাহাবুদ্দিন
৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ ২০২৩ সালের ১৩'ই ফেব্রুয়াারি বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের ২২তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাহাবুদ্দিন ১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর পাবনা শহরের শিবরামপুরের জুবিলী ট্যাংক পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম চুপ্পু। পিতা শরফুদ্দিন আনছারী, মাতা খায়রুন্নেসা।
তিনি ১৯৭৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে এলএলবি ও বিসিএস (বিচার) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, পাবনা জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। জেলা বাকশালের যুগ্ম-সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাহাবুদ্দিন, ছেষট্টির ৬ দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
তিনি পাবনা জেলার আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেন। ওই সময় সামরিক স্বৈরশাসকদের রোষানলে তিন বছর জেল খাটেন এবং অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন।
মোঃ সাহাবুদ্দিন দৈনিক বাংলার বাণীতে সাংবাদিকতাও করেছেন। তাঁর অনেক কলাম বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ছাপা হয়েছে।
কর্মজীবনে তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
মোঃ জুনাইদ হাবীব রুবেল আরো বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাহাবুদ্দিন পরপর দুবার বিসিএস (বিচার) এ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব নির্বাচিত হন। চাকরি থেকে অবসরের পর হাইকোর্টে আইন পেশায় নিযুক্ত হন।
পরবর্তীকালে ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দুদক কমিশনার হিসেবে মোঃ সাহাবুদ্দিন পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিরুদ্ধে উঠা তথাকথিত দুর্নীতির ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দৃঢ়তার পরিচয় দেন।
সাবেক এই ছাত্রনেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ২২তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংঙ্গালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহাবুদ্দিন'কে, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এড. মোঃ জামিল হাসান দুর্জয় ভাইয়ের পক্ষ থেকে জানাই, প্রাণঢালা অভিনন্দন।