রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
রংপুর মেডিকেল কলেজের হিসাবরক্ষক পদে সদ্য
যোগ দেওয়া উম্মে সুলতানা নওশীনের অপসারণ
চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করা হয় গতকাল বুধবার২৪/৫/২০২৩ইং
হাসপাতাল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন কর্মচারীরা।
ওই বিক্ষোভে এলাকাবাসীর ব্যানারে কয়েকটি পক্ষ যোগ দেয়।
মিছিলকারীরা কলেজের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ গেট বন্ধ করে দেয়।পরে তারা গেটের সামনেই অবস্থান নেয়।
বিক্ষোভকারীরা জানায়, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের স্টেনো-কাম-পিএ হিসেবে কর্মরত ছিলো এই নওশীন,তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি টাকা আত্মসাৎ সহ একাধিক অভিযোগের চলমান আন্দোলন ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয় সেই স্বাস্থ্যখাতের আলোচিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর ভাতিজি উম্মে সুলতানা নওশীনকে রংপুর মেডিকেল থেকে লালমনিরহাট ১০০ শয্যা হাসপাতালে বদলি করা হয়। গতবছরের (৬ জুলাই সোমবার ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ আদেশ দেয়া হয়।
সম্প্রতি বিদেশে অবস্থান করার পরও রংপুর মেডিকেলে এখনও একচ্ছত্র প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠে স্বাস্থ্যখাতের আলোচিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর বিরুদ্ধে।
অনুসন্ধানে উঠে আসে রংপুর মেডিকেলের যে কোনো নিয়োগ হয় মিঠু ও তার সিন্ডিকেটের ইচ্ছায়। আর রংপুর মেডিকেলের পরিচালকের স্টেনো-কাম পিএ পদে বসে অলিখিতভাবে অ্যাকাউন্টস ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন মিঠুর ভাস্তি নওশীন।
এসব দুর্নীতি অভিযোগে তাঁকে লালমনিরহাট জেলা সদর হাসপাতালে বদলি করে হিসাবরক্ষক পদে পদায়ন করা হয়।
সম্প্রতি তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজে হিসাবরক্ষক পদে যোগদান করেছেন।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমিনুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে দেশের আলোচিত দুর্নীতিবাজ হিসেবে উন্মে সুলতানা নওশীনকে রংপুর থেকে বদলি করা হয়েছিল।
তিনি আবার রংপুর মেডিকেল কলেজে হিসাবরক্ষক পদে যোগদান করেছেন।
এ কারণে কর্মচারীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে আমরা এলাকাবাসী বিক্ষোভ করছি।
তাঁর অপসারণ চেয়ে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছি।
সেই সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
তবে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আন্দোলনে থাকলেও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।