আশুলিয়ায় ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মোরশেদ আলীর প্রতারণার বিবাহ সন্তান-১


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোরশেদ আলী, এক নারীর সাথে বিবাহ বহির্ভূত ৮ বছর যাবৎ সংসার করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায় বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার গরিয়াবুনিয়া গ্রামের আব্দুল কাদের মাস্টারের মেয়ে মোছাঃ মোরশেদা বেগমকে বিগত ৮ বছর পূর্বে সরকারি ভলিউমে রেজিষ্ট্রি ছাড়াই একজন হুজুরের মাধ্যমে বিবাহ করেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোরশেদ আলী।
অন্যদিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, হুজুর দিয়ে বিয়ে করার কথাটি ও মিথ্যা। লোক সমাজ ও ইসলাম ধর্মকে বিবেচনা করে মোরশেদ আলী এবং মোরশেদা বেগম উভয়ে হুজুর দিয়ে বিয়ে করেছেন এমন মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন।
এদিকে এমতাবস্থায় তাদের একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়েছে। যার বয়স বর্তমান তিন বছর নাম মুশফিকুর রহমান। বিবাহ বহির্ভূত সন্তানের স্বীকৃতি দিলেও স্ত্রীর স্বীকৃতি দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী নারী মোরশেদা বেগম।
মোরশেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আজ থেকে আট বছর পূর্বে মোরশেদ আলী আমাকে একটা হুজুর দিয়ে কবুল বলাইয়ে বিয়ে করে। আমি তাকে কাবিন নামা করার কথা বললে সে নানান অযুহাত আর তালবাহানা করে এবং আমাকে উল্টা পাল্টা করে বুঝিয়ে আজ করবো কাল করবো বলে বলে সময় পার করেছে।এখন থেকে প্রায় আট বছর হয়ে গেলো এখনো সে আমার কাবিন নামা করলো না।
এবং কি এই অবস্থায় আমাদের একটি পুত্র সন্তান ও হয়েছে। আর সন্তান জন্ম হওয়ার পর থেকেই মোরশেদ আলী আমার উপর বিভিন্ন ভাবে মানষিক ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছে এবং আমার সন্তানকে পৈত্তিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা করছে। এখন আমি তাকে বিয়ের কথা বললে আমাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে এবং মেরে ফেলার হুমকি দেয়। প্রায় সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে অমানুষিক নির্যাতন চালায়।
আমি অনেকবার আইনের আশ্রয় নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি তাতেও কোন সুরাহা পায়নি আমি। উল্টো সে আমার নামে থানায় জিডি করে পুলিশ এনে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে আমাকে।
ঘটনার সত্যতা জানতে ধামসোনা ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোরশেদ আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি তাকে হুজুর দিয়ে বিয়ে করেছি আট বছর সংসার করেছি এটা সত্য কিন্তু এখন আমি তাক সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে করতে চাইলে সে আমার কাছে নগদ ২০ লাখ টাকা দেনমোহর হিসেবে দাবি করে আমি এত টাকা দিবো কেন।




Daily Aporadh Prokash