অপরাধআইন – আদালত

আশুলিয়ায় রাস্তার ড্রেন পুর্ণনির্মান কাজে সরকারী মালামাল বিক্রির ধুুম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা জেলা সাভার উপজেলার আশুলিয়ায় ডি ইপিজেড ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ড্রেনের পূর্ণ নীর্মাণ কাজে ব্যাবহৃত যন্ত্রপাতি ও পুরনো লোহার রড,পাইপ,ইলেকট্রিক তার, বৈদ্যুতিক খুঁটি টিএন্ড টির তার সহ সরকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সরংজাম বিক্রির অভিযোগ উঠেছে শ্রমিক সরদার আলমগীর, হাবিব,ও ভ্যাকু ড্রাইভার,, সহ অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যাক্তির নামে।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদকর্মীরা অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধান চলাকালীন গত ১৫-০৬-২৩ ইং তারিখে রাত ৯টার সময় এক ব্যাক্তি নাম ঠিকানা গোপন রাখা শর্তে সংবাদকর্মীদের তথ্য দিয়ে বলেন,

সড়ক ও জনপদ বিভাগের ৫ শত থেকে ৭ শত কেজি ওজন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের একটি লোহার পাইপ হাসেম প্লাজার সামনে থেকে চুরি করে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কোন এক ভাংগারির দোকানে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে কিছু সংবাদকর্মী উক্ত পাইপ বহনকারী কাভার্ড ভ্যানের পিছু নিলে দেখতে পান।

প্রথমে লোহার পাইপটি আশুলিয়ার বলিভদ্র বাজার আনোয়ার হোসেন মন্জুর বাগানবাড়ীর পাশে একটি ভাঙ্গারীর দোকানে নিয়ে যায়, সেখানে দর দাম বনা বনি না হওয়ায় পরে পাইপটি বাইপাইল এলাহী কমিউনিটি সেন্টারের পিছনে রুবেল নামের এক ব্যাক্তির ভাঙ্গারীর গোডাউন ঘরে নিয়ে বিক্রি করেন কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক। তাৎক্ষনিক সংবাদকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হলে ক্যামেরা দেখে দুইজন শ্রমিক ব্যাতিত সবাই দৌড়ে পালিয়ে যায়।

উপস্থিত ওই দুজন শ্রমিককে পাইপটি রাতের আধরে লুকিয়ে বিক্রি করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা আলমগীর ও শ্রমিক সরদার হাবিব তাদের কে বিক্রি করতে পাঠিয়েছেন বলে জানান এবং ধামসোনা ইউনিয়ন ৬ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম তাদেরকে সকল পুরাতন মালামাল বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন বলে জানান তাঁরা।

এসময় আলমগীর ও হাবিবের সাথে যোগাযোগ করে ঘটনাস্থলে আসার কথা বললে, একঘন্টার মধ্যে আসবো বলে পরে উভয়ের মোবাইল ফোন বন্ধ করে রাখেন। গভীর রাত হওয়ায় সংবাদকর্মীরা বিষয়টি আশুলিয়া থানায় অবগত করে ঘটনা স্থল থেকে চলে আসলে,

পরদিন অভিযুক্তরা প্রশাসনিক ঝামেলা এরাতে প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে বলেন ৭০০ কেজি ওজনের পাইপটি কোন সরকারি মাল নয় সেটি হলো বিল বোর্ডের পাইপ। অন্যদিকে ঘটনার পরে পাইপটির কোন হদিস পাওয়া যায়নি।

এদিকে উক্ত ঘটনার কয়েক দিন পূর্বে বেশ কয়েকজন শ্রমিককে সরকারি মালামাল বিক্রির দায়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ জরিমানা করেন বলে জানা যায়। অন্যদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানের মালামাল বিক্রির মুলহোতা আলমগীর সবসময় থাকছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এমন লুকোচুরি পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তাদের নজরদারি বাড়াতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button