রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
রংপুর নগরীর বুড়িরহাট বাহাদুর সিংহে গতকাল
ঈদের দিনে কুরবানির দেওয়া কে কেন্দ্র করে সংর্ঘষে আহত হামিদুল ইসলাম রংপুর মেডিকেলে ভর্তি।
এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়
পূর্ব শস্ত্রতার জের ধরে গত ইং ২৯/০৬/২০২৩ তারিখ সকালে পরশুরাম থানাধীন বাহাদূর
সিংহে স্বপন মিয়া বাড়ীতে কোরবানির গরুর ভাগের টাকা দেওয়ার জন্য যায় হামিদুল ইসলাম এর স্ত্রী রোজিনা বেগম।
সেখানে গিয়ে স্বপন মিয়া তাদের ভাগের টাকা দিলে,
মাইদুল ইসলাম রমজান ভাগের টাকা রোজিনা বেগম এর নিকট চায়।
রোজিনা বেগম মাইদুল ইসলাম রমজান ও তার পরিবারের কারো সাথে কথা বলেনা দীর্ঘদিন ধরে
স্বপন মিয়া রোজিনা বেগম কে দেখে তাকে উদ্দেশ্যে করে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে।
একপর্যায়ে উক্ত বিষয় নিয়া স্বপন মিয়া সাথে
তাদের কথা কাটাকাটি শুরু হয় গালিগালাজ করতে বাধা নিষেধ করলে স্বপন মিয়া ও তার ভারাটে গুন্ডা বাহিনী ক্ষিপ্ত হয়ে রোজিনা বেগম ও তার স্বামী হামিদুল ইসলাম এর উপর মারমুখী আচরণ শুরু করে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ইং ২৯/০৬/২০২৩ তারিখ
রাত অনুমান ০৮.৩৫ ঘটিকার সময় পরশুরাম থানাধীন বাহাদূর সিংহ হামিদুল ইসলাম এর বাড়ীর সামনে
স্বপন মিয়া ও তার ভারাটে গুন্ডা সকলে অবৈধ জনতায় দলবদ্ধ হয়ে আসে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে উদ্দেশ্যে করে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে গালিগালাজ করে।
রোজিনা বেগম সাংবাদিক দের বলেন আমি ও আমার স্বামী মোঃ হামিদুল ইসলাম সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়ী ভিতর থেকে বের হয়ে আমার স্বামী হামিদুল ইসলাম গালিগালাজ করতে বাধা নিষেধ করে।
তখন তারা ক্ষিপ্ত হয়ে যায় এবং রেজাউল করিম এর হুকুমে মাইদুল ইসলাম রমজান হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে আমার স্বামী হামিদুল ইসলাম এর মাথায় আঘাত করে।
উক্ত আঘাত আমার স্বামী হামিদুল ইসলাম এর মাথার মাঝ বরাবর লাগিয়া রক্তাক্ত ফাঁটা জখম হয়।
আমার স্বামী হামিদুল ইসলাম আঘাতে মাটিতে পরে যায় সেই সময় আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা আগায় গেলে আমাদেরকে ও মারার জন্য আগায় আসে। তখন আমি ও আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা চিৎকার চেচামেচী শুরু করি। আমাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন সাক্ষী- ১। মোছাঃ
ফেরোজা বেগম (৩৮) স্বামী- মোঃ মোফাজ্জল হোসেন, ২। মোঃ খোকন মিয়া (৩৭) পিতা- মৃত বাচ্চু মিয়া, ৩। মোছা গোলাপজোন বেগম (৬৫) স্বামী- মৃত বাচ্চু মিয়া সহ আরও অনেকে ঘটনাস্থলে আগায় আসলে আমাকে সহ আমার পরিবারকে উদ্দেশ্যে করে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে সাক্ষীদের সহায়তায় আমার স্বামীকে অজ্ঞাতনামা চার্জার অটো যোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রংপুরে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করাই।
বর্তমানে আমার স্বামী রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেে নিউরো সার্জারী বিভাগের ১৯ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসা ধিন অবস্থা আছেন।
খবর লেখা প্রযন্ত- রুজিনা বেগম বাদীনি হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানায় ৫ জন আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন।