নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
আশুলিয়ায় গাজীরচট এলাকায় তাহের পাটোয়ারীর বাড়ীতে সোলাইমান নামে এক যুবককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগে দুই তরুনীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ৯ মার্চ(বুধবার) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামলেন্দু ঘোষ।ঐ তরুণীদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আশুলিয়া থানার এসআই শ্যামলেন্দু ঘোষ জানান, মঙ্গলবার দুপুরে এক যুবক ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, তার বন্ধু সোলায়মান হক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অপহৃত হয়েছে অপহরণকারীরা,তার বন্ধুর ফোন থেকে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে এবং টাকা পাঠানোর জন্য একটি বিকাশ নম্বর দেয়। টাকা না পাঠালে তার বন্ধুকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানায়।
ঐ উপপরিদর্শক শ্যামলেন্দু ঘোষ আরো জানান, ৯৯৯-এর কলটি কনস্টেবল মো. রেজোয়ান মিয়া রিসিভ করেছিলেন। কনস্টেবল রেজোয়ান তখনই আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি জানান। ওই সময়ে রেজোয়ান টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলিয়ে দেন। পরে ৯৯৯ এর এসআই শাহরিয়ার রুবেল কলার এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে পুলিশি তৎপরতার আপডেট নিতে থাকেন।
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানার এক দল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকে রাখা বাড়িটি চিহ্নিত করেন। সেটি ছিল গাজীরচটে তাহের পাটোয়ারীর বাড়ি ‘কুসুম ভিলা’।এরপর বাড়িটিতে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী সোলায়মান হককে উদ্ধার করা হয়। তখন জানাযায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোলায়মানের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। এরপর ধীরে ধীরে প্রেম হতে থাকে। পরে দেখা করতে আসলে তাকে আটক রেখে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে লিপি বেগম এবং তার বোন সীমা বেগমকে গ্রেফতারকরা হয়েছে।পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের দুই সহযোগী(পুরুষ) পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
আটক লিপি বেগম ও সীমা বেগম লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা থানার বড়খাতা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে।তারা বর্তমানে গাজীরচট আশুলিয়ার উক্ত বাসা ভাড়ায় বসবাস করতেন।