এইচ এম মাহমুদ হাসান।
রাজধানীর উত্তরখান এলাকার কুমুদখোলা সার্বজনীন শ্রী শ্রী লক্ষ্মী ও দূর্গা মন্দিরে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার ১০৮ নীলপদ্মে চলছে দেবী বন্দনা ও দূর্গা বিসর্জনের প্রস্তুতি। সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়েছে দেবী দুর্গার বন্দনা। মন্ত্রের পাশাপাশি ১০৮ নীলপদ্ম দিয়ে মহানবমীর পূজা করছেন পুরোহিতরা। এছাড়া ১০৮টি বেলপাতা ও ঘি দিয়ে হবে মহানবমীর যজ্ঞ। সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকাল থেকেই মহানবমীর পূজা শুরু হয়েছে মণ্ডপে মণ্ডপে। মূলত আজই পূজার শেষ দিন। মঙ্গলবার বিজয়াদশমীর যাত্রা শেষে বিসর্জন হবে, অশ্রুশিক্ত চোখে ভক্তরা বিদায় দেবেন দেবী দুর্গাকে।
গত ২১ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে দেবীর আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। দেবী এসেছিলেন ঘোড়ায় চড়ে, মঙ্গলবার দশমীর দিন বিদায় নেবেন ঘোড়ায় চড়ে।
কুমুদখোলা সার্বজনীন শ্রী শ্রী লক্ষ্মী ও দূর্গা মন্দিরে শ্রী অমিত কুমার দাশের সভাপতি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রতিবারের মতো এবারও মাকে বরন ও বিদায়ের জন্য সর্বোচ্চ আয়োজন করা হয়েছে।
আমাদের এই মহা আয়োজনে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সবাই অসাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে মানবিকতার ভিত্তিতে অংশগ্রহণ করে এবং আমাদের অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত করছে। সকাল সন্ধ্যা ভক্ত জনের জন্য প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। মায়ের প্রতিমা ও পূজামন্ডপকে প্রতিবারের মতো এবার আলোক সজ্জার আয়োজন ছিল দৃষ্টি নন্দন। এছাড়াও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে ব্যাপক ভাবে।
সর্বশেষে মায়ের কাছে একটাই চাওয়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা যেন থাকে।