সাঈম সরকারঃ
আশুলিয়ার শিমুলিয়া,টেংগুড়ী এলাকায় মাদক ব্যবসা করতে নারাজ হওয়ায় কায়েম শেখ নামে এক গার্মেন্টস কর্মীকে মারধর করে হাত কেটে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় ।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারী (রবিবার) সকাল অনুঃ১১.০০টায় সুমন মন্ডল এর বাড়ীর পিছনে ঐ ঘটনা ঘটে । এবিষয়ে ভুক্তভুগীর পিতা বাদী হয়ে ০৩জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন । বিবাদীগণ হলেন, ১.মোঃ ইউনুস আলী (৫০),পিতা-মৃত ইসমাইল মুন্সী,২.গুলজার হোসেন, (৪৫),পিতা-অজ্ঞাত ও৩. আব্দুস সোবাহান,(৫০),পিতা-অজ্ঞাত এবং একই এলাকায় বসবাসরত ।
সূত্রে জানায়ঃইউনুস আলী ও তার সংগীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ টেংগুড়ী এলাকায় প্রকাশে ও গোপনে অবৈধ মাদক কারবার চালিয়ে আসছে । তাদের মাদক ব্যবসায় লোকবল বৃদ্ধি করতে ঐ ভুক্তভুগী কায়েম শেখ-কে প্রস্তাব দেয় । ওদের ঐ অবৈধ মাদক ব্যবসার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কায়েম শেখ-কে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে এলোপাথারী মারধর করে এবং ভুক্তভুগীর বাম হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে । এতে ভুক্তভুগী কায়েম শেখ এর হাতের কব্জির উপরে মারাত্নক রক্তযখম হয় । এ সময় আহত কায়েম শেখ এর ডাকচিৎকারে আশে পাশের লোক-জন আগাইয়া আসলে বিবাদীগণ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভুগীর পিতা-মাহাতাব শেখ জানান, তার সন্তান কায়েম শেখ (ডি.কে টেক্স) গার্মেন্টস এ কর্মরত শ্রমিক । গত একমাস হল তার চাকরি চলে যাওয়ায় বর্তমানে বেকার বসে আছে । এমত অবস্থায় বিবাদীদ্বয় তার সন্তানকে প্রতিদিন বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় এবং মাদক বিক্রি করতে বলে । তাতে রাজি না হওয়ায় ঘটনার দিন বাসা থেকে ডেকে সুমন মন্ডলের বাড়ীর পিছনে নির্মানাধীন একটি ফাকা ভবনে নিয়ে এলোপাথারী মারধর করে । খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে ধুলায় লুটে পরে থাকা সন্তানকে তুলে নিয়ে দ্রুত চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,ধামরাই ভর্তি করলে আঘাত প্রাপ্ত হাতে ১৩টি শেলাই দেওয়া হয় । চিকিৎসা শেষে আশুলিয়া থানায় এসে অভিযোগ করতে বিলম্ব হয়েছে । অভিযোগের বিষয় নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এস আই)জাহাঙ্গীর ।তিনি বলেন,সঠিক তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।