সাঈম সরকারঃ
আশুলিয়া থানার অভিযোগ প্রত্যাহার না করায় বাসার গেইট থেকে ধরে নিয়ে কায়েম শেখ নামে নিরিহ এক গার্মেন্টস কর্মীকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তযখম (আহত) করেছে ঐ এলাকার র্দূধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গং । আহত কায়েম শেখকে প্রথমে জিরানী বাজার কোরিয়ান হাসপাতাল, পরে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ মুমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে ।
০১লা মার্চ (শুক্রবার) সকাল অনুঃ১০টায় শিমুলিয়ায় টেংগুরী এলাকায় ঐ ঘটনা ঘটে ।
এর আগে ঐ এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের ডিলার মোঃ ইউনুস আলী বেশ কিছুদিন যাবৎ ভুক্তভুগী কায়েম শেখ কে একাধিকবার তার মাদক ব্যবসায় জরিয়ে পরতে বলে । তাতে রাজি না হওয়ায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারী অনুঃসকাল ১১.০০টার সময় ভুক্তভুগী কায়েম শেখকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এলোপাথারী মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বাম হাতের কব্জি উপরে কোপ দিলে গভীর ক্ষত হয় ।ঐ ক্ষতস্থানে ১৩টি শেলাই দেওয়া হয়েছে বলে জানায় । তার-ই পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভুগীর পিতা-মোঃ মাহাতাব শেখ বাদী হয়ে ইউনুস আলীসহ ০৩জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দিলে তাতে রাজি না হওয়ায় দলবদ্ধ ইউনুস আলী গং বাসার গেইট থেকে ভুক্তভুগী কায়েম শেখকে জোর করে তুলে নিয়ে লোহার রড দিয়ে এলোপাথারী পিটিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত যখম আহত করে ফেলে যায় । মুমুর্ষ কায়েম শেখ-কে চিকিৎসার জন্য ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়েছে । আহত ভুক্তভুগী আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের বেডে শয্যাশায়ী ।
ভুক্তভুগীর পিতা-মোঃমাহাতাব শেখ জানায়ঃতার ছেলে কায়েম শেখ (ডি.কে.টেক্স)গার্মেন্টস এ কাজ করত।গত একমাস যাবৎ তার চাকুরি চলে যাওয়ায় বেকার বসেছিল ।এমত অবস্থায় ছেলে কায়েম শেখ কে ঐ ইউনুস আলী গং মাদক বিক্রি করতে বলে । তাতে রাজি না হওয়ায় মোঃ ইউনুস আলী,গুলজার হোসেন,ও সোবাহান তাকে বাসা থেকে ডেকে সুমন মন্ডলের বাড়ীর পিছনে নির্মানাধীন একটি ফাকা ভবনে নিয়ে মারধর করে এবং হাতের কব্জি উপরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিয়ে গভীর ক্ষত করলে ১৩টি শেলাই করা হয়েছে । ঐ বিষয়ে লিখিত অভিযোগে আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে ।সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করতে বললে নারাজ হওয়ায় আবারও তারা বাসার গেইট থেকে তুলে নিয়ে লোহার রড দিয়ে আমার সন্তান কায়েম শেখকে বেধরক মারধর করেছে। তিনি আরো বলেন,গত২৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত অনুঃ ১২’০০টায় আশুলিয়া থানা পুলিশ গিয়ে ইউনুস আলীকে ধরেছিল ।কিন্তু,কোন কারণে ছেরে আসায় পরের দিন সকাল ১০টায় আমার ছেলে কে বাসার গেট থেকে তুলে নিয়ে মারধর করে এবংইউনুস আলী বলে যে,তোর পিতার অভিযোগের কারণে মোটা অংকের জরিমানা দিতে হয়েছে । এবিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) জাহাঙ্গীর গণমুক্তিকে বলেন, গত রাতে ঘটনার তদন্ত করে আসামী ধরতে গিযেছিলাম ।কিন্তু, উপস্থিতি টের পেয়ে বিবাদীগণ পালিয়ে যাওয়ায় তা আর সম্ভব হয় নাই । ঐ ০৩ (তিন)অপরাধীকে আটক করার চেষ্টা অব্যত রয়েছে ।