সাঈম সরকারঃ
আশুলিয়ার ভাদাইলে চলছে রমরমা অবৈধ গ্যাসসংযোগ বানিজ্য।আর এই অবৈধ কাজে মুল হোতার ভুমিকায় রয়েছে মাত্র ২/৩জন অসাধু ব্যাক্তি ও নামধারী গ্যাস ঠিকাদার । তাদের মধ্যে মোঃ কালাম মুন্সী করিম ও সেনেটারি মিস্ত্রি বাদশা নামে ব্যাক্তি অন্যতম ।এস এ টাওয়ারের সামনে পচাঁ মাংস বিক্রেতা মতিনের বাড়ী বহুতল ভবন,মানিকগঞ্জ ভাবি নামে পরিচিত মহিলা (সুপার ক্লিনিক এর ডাঃ নামে পরিচিত), ভাদাইল বাজারে কসমোপলিটন স্কুলের সাইনবোর্ড সংলগ্ন নাহার ভিলার মালিক ডাঃ তাসমিন,যা তারেক নামে ম্যানেজার দেখাবাল করে ঐ বাড়ীতে ১৭টি অবৈধ চুলা, ভাদাইল উত্তর পাড়া ও সাধু মার্কেট এলাকায় সকল নামধারী সাংবাদিক ও সাংবাদিকদের আত্নীয়দের বাড়ীতেও রয়েছে সম্পুর্ণ অবৈধ সংযযোগ, পুর্ব জামগড়া মোতাহার হোসেন এর বাড়ী ১১০টি অবৈধ চুলাসহ প্রায় অর্ধশত বাড়ীতে অবৈধ সংযোগ প্রদান করেন ঐ সব নামধারী ঠিকাদারগণ । জানাযায়, ঐ সব বাড়ী ওয়ালাদের নিকট থেকে প্রতি চুলায় সাতশত টাকা হারে মাসয়ারা নিয়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচেছ কয়েক লাখ টাকা । কিছু কিছু বাড়ীওয়ালা বলেন,টাকা না দিলে ওরা নিজেরাই গোপনে গিয়ে গ্যাস কর্তৃপক্ষকে জানায় । ওনারা এসে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিলে ২ ঘন্টার মধ্যে নতুন করে টাকা নিয়ে আবারও অবৈধ সংযোগ প্রদান করেন ঐ সব নামধারী ঠিকাদারগং । এসময় বাড়ীর মালিকদের আবার গুনতে হয় ৫০/৬০ হাজার টাকা । বাড়ীর মালিকগণ আরো বলেন সরকার যদি বৈধ ভাবে সংযোগ প্রদান করতো তাহলে এসব টাকা গুলো সরকারের খাতায় জমা হত । যাহা দেশের উন্নয়ণ কাজে ব্যয় করতে পারতেন । আরো জানতে, পরের সংখ্যায় চোখ রাখুন.....