বিশেষ প্রতিনিধিঃ ০৫_০৮_২০২৪ ইংরেজী আনুমানিক আজ দুপুর ২:৩০ মিনিটে পদত্যাগ করে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় গণভবনের পিছনের দরজা দিয়ে পালাইছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা। এবং সামরিক হেলিকপ্টারে করে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হণ হাসিনা ও তার বোন। গোপন সূত্রে জানা যায় , শেখ হাসিনা ভারতের সরকার নরেন্দ্র মুদির নিকটে সাহায্য চাই এবং তাৎক্ষণিক ভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে বলেন। তবে ভারতের সরকার নরেন্দ্র মুদি হাসিনার কথাকে তোয়াক্কা না করে, বলেন, আপনার দেশের মধ্যে যে অরাজকতা তৈরি করেছেন, একটি দেশ ধ্বংসপ্রাপ্ত , তাই এই মূহুর্ত্তের জন্য আমি আপনাকে কোনো সহযোগিতা করতে পারবো না। ১৯৭১ সালের মতো ই আবার দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ স্বাধীন করলো শিক্ষার্থীবৃন্দ। শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন অবিভাবক সহ বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার জনগণ। শত শত হাজার হাজার মায়ের বুক খালি করেছেন সরকার শেখ হাসিনা। আলটিমেটাম ডাইরেক সুট, নির্দেশ হাসিনার। গণহত্যা পুলিশ কে ডাইরেক সুটের নির্দেশ দিয়ে বিভিন্ন ভাবে অভিনয় করেন হাসিনা। তীক্ষ্ণ জ্ঞানী অন্য কাউকে বুঝতে দেন না হাসিনা। তাই একটা অনুবাদ আছে, সর্প হইয়া ধ্বংস করে, ঊঝা হইয়া ঝাড়ে। ঠিক তেমনই , মহান আল্লাহ্ তায়লা ধরে তো ধরে না, আর ধরলে ছাড় দেন না। পাপে ছাড়ে না বাপেরে, দীর্ঘদিন ধরে পাপ করতে করতে আজ পাপের বুঝা ভারি হইয়া গেছি হাসিনার । তাই শত হাজার ছাএদের প্রাণ গেলেও তাদের মনের আশা পূরণ হয়েছে। ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম এক দফা দাবি, সারকার শেখ হাসিনার পদত্যাগ। ২৪ ঘন্টা যেতে না যেতেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে, বাংলাদেশ থেকে পালাইছেন এবং সঙ্গে নিয়ে গেছেন তার বোন শেখ রেহানাকে। তবে শেখ হাসিনার বিদেশে যেয়ে ও শান্তি মেলে নি। কোনো দেশে যেনো স্থান না পাই, সেই দিকে তুমুল ঝড় তুলেছেন বিদেশের মাটিতে। সার্বক্ষণিক ভাবে সর্তকতা অবলম্বন করছেন বিদেশের নাগরিকগণ । বিদেশের নাগরিকদের একটাই দাবি ,যে সরকার নিজ দেশের নিরোহ ছাএদের উপর গণহত্যা চালাই তে পারে , সে কসাইয়ের থেকে কোনো অংশে কম নয়। এবং তার স্থান বাহিরের কোনো রাষ্ট্রে হতে পারে না।