জাহিদ হাসান শাকিলসহ ৬৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা


সাঈম সরকারঃ
সূত্র্রঃ গত ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ার রাজপথ যখন উত্তাল ও উত্তেজনায় বিরাজমান।এমন সময় সেই আন্দোলনকে দমিয়ে দিতে ছাত্র ও জনগনের উপরে চলে নির্বিচারে গুলি বর্ষণ।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ আগস্ট (মঙ্গলবার) ৬৮ জনকে আসামী করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বাদী আনারুল ইসলাম বলেন, ঐ দিন সকালে মৃত- সাগর (২৮)সহ আমি এস এ পরিবহনের পাশ দিয়ে হেটে যাচ্ছিলাম।এসময় বিবাদীগণ আমাদের পথ রোধ করে আটকাইয়া মারধর করে।আমরা ছাত্র নই, আমাদেরকে ছেরে দিন বললে তারা কর্ণপাত না করে সাগরের মাথায় গুলি করে চলে যায়।তখন আমি আহত অবস্থায় এবং ছাত্ররাসহ সাগরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে হাবিব ক্লিনিক পরে নারী শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকাল ৩.০০টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।এই ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করতে চেষ্টা করলে তা সম্ভব না হওয়ায় গত ২০ আগস্ট (মঙ্গলবার)বিজ্ঞ আদালতে ৬৮ জনকে বিবাদী করে মামলাটি দায়ের করা হয়।
তিনি আরো জানান, জাহিদ হাসান শাকিল একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের পেতাত্না হিসাবে কাজ করতো। তিনি নবাগত এমপি সাইফুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় আশুলিয়া থানা পুলিশকে জিম্মি করে অবৈধ গ্যাস সংযোগসহ বিভিন্ন ভাবে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।তার নিয়ন্ত্রণে ছিলো সকল জুট ব্যবসা,বাইপাইল ফলের আড়ৎ,শ্রীপুর হাইওয়ের ফুটপাতসহ একলেন দখল করে রেডি গার্মেন্টস ও বিভিন্ন দোকানপাট।এছাড়াও পল্লীবিদ্যুৎ ডেন্ডাবর আমিন মডেল টাউনি এলাকায় ভয় দেখিয়ে মাদ্রাসা দখলসহ আর এম টাওয়ার,মাছের আড়ৎ,ডিস ব্যবসা,নেট ব্যবসা দখল হতো তার ইশারায়।এমন কোন অপরাধ নাই যা সে নিজে নিয়ন্ত্রণ করতো না।আশুলিয়া প্রেসক্লাবের একাধীক সিনিয়র সদস্যরা বলেন, এমন কিছু দালাল ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির সাংবাদিকের কারণেই সাংবাদিকগণকে সকল শ্রেণীর মানুষ ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখতো ।স্থানীয়রা জানান,সাংবাদিকগণকে বলা হয় জাতীর বিবেক ।কিন্তু,কোমল মতি শিক্ষার্থীদের উপর নির্বিচারে যে গুলি চালাতে পারে সে কখনও সাংবাদিক হতে পারে না।সে সাংবাদিকের খাতায় নাম লিখে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে সাধারণ মানুষ ও পুলিশকে জিম্মিকরে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে । এলাকাবাসি এমন অপরাধীর সুষ্ঠ বিচার কামনা করেন ।




Daily Aporadh Prokash