স্টাফ রিপোর্টারঃ
মাই টিভির বিশেষ সংবাদদাতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এস কে লিটনের নামে সংবাদ প্রকাশের পরে, সেই সংবাদের সততা খুঁজতে এস কে লিটনের দুর্নীতির মাধ্যমে কামানো অর্থ সম্পদ এবং ব্যবসা সম্পর্কে সঠিক তথ্যর খোঁজে মাঠে নামে আমাদের অনুসন্ধানী টিম,তার সম্পর্কে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, সরেজমিনে খোঁজ খবর এবং বাস্তবে নথি ঘেটে আমাদের অনুসন্ধানী টিমের হয়েছে এক নতুন অভিজ্ঞতা।
চলুন এবার এস কে লিটনের দুর্নীতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানাই আপনাদের,
মাই টিভির বিশেষ সংবাদদাতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এস কে লিটন কে নিয়ে বর্তমানে মানহানিকর কুরুচিপূর্ণ কিচ্চা রটনা করছেন এক শ্রেনীর স্বার্থবাদী মহল,
একজন সম্মানী মানুষের সম্মানে আঘাত হানাতে জীবননগর উপজেলার সূশীল সমাজ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত এই কুরুচিপূর্ণ পোস্ট এবং সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকে।
জীবননগর উপজেলার মানুষের কাছে সাংবাদিক এস কে লিটন মানবিক লিটন হিসেবে খেতাব পেয়েছে যা আমাদের সকলের জানা।
উপজেলার সাধারণ পা- ফাঁটা গা -ফাঁটা মানুষের এক মাত্র ভরসার আশ্রয় স্থল হিসেবে বেশ সুনাম অর্জন করেছেন এস কে লিটন, করোনা ভাইরাসে পুরো দেশ যখন নিশ্চুপ হয়ে থমকে গিয়েছিলো সে সময়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস কে লিটন নিজের জীবনের পরোয়া না করে গরিব দুঃখী অসহায় হতদরিদ্র ছিন্যমূল মানুষ সহ মধ্যবৃত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছিয়ে দেওয়ার কাজে ব্যস্থ সময় পাড় করেছিলেন।
জীবননগর উপজেলার গ্রাম গুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঈদ সামগ্রী প্রদান,
উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ- মাদ্রাসা- এয়াতিমখানা, গোরস্থানে নগদ আর্থিক অনুদান প্রদান, খেলোয়াড়দের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ সহ সকল প্রকারের উন্নয়ন এবং মানবিক কাজে শতভাগ অংশগ্রহণ করে চলেছেন এস কে লিটন।
সাম্প্রতি ঘটে যাওয়া বন্যায়, বন্যায়ার্থ বানভাসি মানুষদের জন্য কুমিল্লা এবং ফেনীতে এস কে লিটনের নিজস্ব অর্থায়নে চার হাজার পেকেট ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ সহ বিভিন্ন প্রকার দুর্যোগে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস কে লিটন আত্ম মানবতার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।
জীবননগর উপজেলার মানুষের কাছে মানবিক খেতাব প্রাপ্ত এস কে লিটন ব্যবসা ও চাকুরীর সুবাদে ঢাকা শহরে বসবাস করলেও তিনি ব্যস্থতার ভিতরে সময় বাহির করে এলাকাবাসীর টানে ছুটে আসেন বারংবার,যার ফলে জীবননগর উপজেলা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকাতে রয়েছে এস কে লিটনের যশ- খ্যাতি, উপজেলার সাধারণ মানুষের সাথে গড়ে তুলেছেন এক দারুণ সক্ষতা।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস কে লিটন মানুষ হিসেবে কখনো দলীয় বিষয়কে প্রশ্রয় দিতেন না, তিনি দল মতের ভেদাভেদ ভুলে সকলের উপকারে সব সময় নিয়োজিত থেকেছেন এবং বর্তমান সময়েও তার এই মানবিক গুনাবলি রয়ে গিয়েছে।
উপজেলার এমন কোন পরিবার পাওয়া যাবেনা, যে তার কাছে গিয়ে খালি হাতে ফিরে এসেছেন, যে কোন ভাবে এস কে লিটন সহযোগিতা করতেন উপজেলার মানুষদের।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস কে লিটনকে নিয়ে ফেসবুক ও নাম মাত্র অনলাইন পেজে মানহানী কর পোস্টের জবাবে জীবননগর উপজেলা বিএনপির এক নেতা বলেন সাংবাদিক এস কে লিটন মাই টিভিতে সাংবাদিকতার পাশাপাশি অনেক কয়েকটি বৈধ ব্যবসা করতেন আগে থেকেই, তিনি আজ অবদি যা কিছু করেছেন বৈধ ভাবে, এখানে তার সম্পদ এবং প্রতিষ্ঠানিক বিষয় নিয়ে কোন প্রকার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার সুযোগ নেই, এস কে লিটনের যা কিছু আছে তিনি তার সম্পদের পরিমানে ভ্যাট - টেক্স দিচ্ছেন সরকারের ঘরে, এখানে তার বৈধ সম্পদকে অবৈধ যারা বলেছে তারা কোন স্বার্থ হাসিল করার জন্য বলেছেন।
এ ব্যাপারে সূশিল সমাজের কয়েকজন ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়,কতিপয় এক সাংবাদিক একটি মহলের স্বার্থ হাসিল করার জন্য লিটনের নামে মনগড়া নিউজ প্রকাশ করেছেন, আমি সেই সাংবাদিক বন্ধুকে বলবো লিটন সম্পর্কে যদি দু লাইন লিখতে চান তা হলে সঠিক সংবাদ জেনে বুঝে প্রকাশ করুন,তাতে করে একজন ভালো মানুষ কোন প্রকার বিপদে পড়বেনা।
এ ব্যাপারে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস কে লিটনের সাথে কথা বল্লে তিনি বলেন,আমার যা কিছু আছে বা আমি জীবননগর উপজেলা বাসির জন্য কি করেছি তারাই আমার থেকে ভালো বলতে পাড়বে, আমি সাংবাদিকতার পাশা পাশি বৈধ ব্যবসায়ের মাধ্যমে ছোট থেকে কঠোর পরিশ্রম করেছি,আমি যা কিছু করেছি সব প্রকাশ্য আছে, আমি আমার সকল সম্পদের সরকারি ঘরে ভ্যাট - টেক্স প্রদান করে আসছি সঠিক সময়ের ভিতরে,সাংবাদিকেরা হলো জাতির বিবেক, জাতির বিবেক সাংবাদিকদের কাছে সব সময় সাধারণ মানুষ সত্য সংবাদের আশা করে, তাই আমি বলবো যে সাংবাদিক বন্ধু আমার সম্পর্কে মিথ্যা বানোয়াট মন গড়া সংবাদ প্রকাশ করেছেন, আমি তাকে বলবো তিনি আমার সম্পর্কে ভালো ভাবে খোঁজ খবর নিয়ে সঠিক তথ্যর ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করুক।তা হলে আমার মতো আর কোন ব্যক্তিকে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হবেনা।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস কে লিটনের ব্যাপারে তথ্য ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে দেখা যায় এস কে লিটন এবং তার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক ঋণ এর পরিমাণ প্রায় ২২ কোটি টাকার উপরে, ব্যাংক থেকে ঋণের টাকায় ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে তার কয়েকটি প্রমাণ দেখে নিশ্চিত হওয়া যায়।
সাংবাদিক এস কে লিটন সাথী অটো রাইস মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক হবার সুবাদে এক শ্রেনীর মানুষ দাবী করছেন অনেক টাকার মালিক না হলে তিনি একটি অটো মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন কি করে, এই কথার উত্তর খুজতে লিটনের ব্যবসায়ীক চুক্তি নামা দেখলে দেখা যায় ব্যবসায়ীক ভাবে এস কে লিটনের সাথী অটো রাইস মিলের ৩ জন পার্টনার রয়েছেন, যা মিলটিতে তারা সকলে ইনভেস্ট করেছেন।