দেশীয় অস্ত্রসহ গাজীপুরে আওয়ামী শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতা।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোগড়া এলাকায় অভিযান চালায় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।এ সময় তিনি বাড়ির দোতলা থেকে লাফিয়ে নীচে পড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আব্দুস সোবহানকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাসা ও অফিসে অভিযান চালিয়ে তার বাসা ও অফিস থেকে পাঁচটি রামদা, অকি টকি, ১৪টি মোবাইল ফোন, কয়েকটি পাসপোর্ট, ল্যাপটপ ও বিভিন্ন মালামাল সহ গ্রেফতার করে যৌথ বাহিনী। পরে, বাসন থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। জিএমপির বাসন মেট্রো থানার ওসি রাসেদুল ইসলাম জানান, আটক আব্দুস সোবহানকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মার্কেট ও জমি দখল, বিভিন্ন কারখানায় ভাংচুরের নেতৃত্ব প্রদান ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
আরও জানা যায়, ৪ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষে চৌরাস্তা এলাকায় ছাত্র জনতার উপরে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করেছিলেন এই নেতা। এলাকায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, সাংবাদিকদের হেনস্থা ও মিথ্যা মামলা ফাঁসানো ছিল এই আওয়ামী শ্রমিকলীগ নেতার অন্যতম পেশা। তাছাড়া স্থানীয় বেশকিছু সাংবাদিক কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। এমনকি অনেক সাংবাদিকদের মেরে ফেলার ও হুমকি প্রদান করেছেন। তাছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা তারিফ মাহমুদ ও সাইদুর রহমানের নামে একাধিক মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এলাকাবাসী বলেন, গত ১৫ বছরে আব্দুস সোবহান আঙ্গুল ফুলে”কলা গাছ হয়েছেন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি গত ১৫ বছরে হয়ে উঠেছেন প্রায় শত কোটি টাকার মালিক ” “স্থানীয়দের মামলা দিয়ে জমি দখলে রেখেছেন আব্দুস সোবাহান।অবৈধ ভাবে নুরুল হকের জমি দখল করে বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ছিলেন বলে জানা যায়। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের এই দোসর। তার এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করায় তারিফ ও সাইদুরকে ১৭ মামলার আসামি করেছেন।তাদের জেল খাটিয়েছেন কয়েকবার। এমনকি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার উপরে গুলি বর্ষণ করা এই নেতার শাস্তির দাবী জানায় এলাকাবাসী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলেন, সন্ত্রাসী ও ছাত্র জনতার উপরে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। তারই ধারাবাহিকতায় আব্দুস সোবাহানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




Daily Aporadh Prokash