সয়দাবাদে শর্টগান নিয়ে চলে মহড়া, দখল, সরকারি সম্পদ লুট ও মব সৃষ্টি : বর্তমানে জনগণের আতংকের এক নাম বিএনপি নেতা রফিক ও ভাতিজা পার্থ


নিজস্ব প্রতিবেদক : ৫ আগষ্ট ২০২৪এর দিন থেকেই সয়দাবাদ ইউনিয়নে আতংকের নাম সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি ও সয়দাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক ও তার আপন ভাতিজা পারভেজ সরকার পার্থ। প্রকাশ্যে প্রাইভেট কার নিয়ে হাতে শটগান ঘুরে আওয়ামীলীগের সরকারের দোসর চেয়ারম্যান নবীদুল এর বাড়ির ভাড়া আদায়, খামারের ৫০-৬০টি গরু বিক্রি, লোড-আনলোডের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, রেলওয়ের মাটি বিক্রি, সৌর বিদ্যুতের তামা চুরি, ইকোনমিক জোন থেকে লোহা, রড, তামা চুরি, বিসিক শিল্প পার্কের নিয়ন্ত্রণ, ইকো পার্কে মধ্য থেকে অবৈধ বালুর স্তুপ করে ব্যবসা, ৫’শ আওয়ামীলীগের পরিবার থেকে চাঁদা বিনিময়ে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেওয়া সহ সয়দাবাদে ইউনিয়নের একক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি ও সয়দাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক ও তার আপন ভাতিজা পারভেজ সরকার পার্থ। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি শটগান হাতে ছবি তুলে তা ফেসবুকে প্রচার করার মত ঘটনা করেছে। ইতিমধ্যে আওয়ামীলীগের দোসরদের নিয়ে বিএনপি নেতা রফিক সয়দাবাদে ৮০-১০০ জনের একটি গ্যাং তৈরী করে ফেলেছে। এই গ্যাংয়ে নির্যাতিত কোন বিএনপি কর্মী বা নেতা নেই।
প্রকাশ্যে প্রশাসনের নাকের ডগায় শটগান হাতে নিয়ে প্রাইভেট কার নিয়ে পারভেজ সরকার পার্থ ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ প্রশাসন নেয়নি কোন ব্যবস্থা।
স্থানীয়রা বলছে, সয়দাবাদে ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা নবিদুল এর কার্বন কপি বিএনপির নেতা রফিক হওয়ায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের ভরাডুবি ঘটবে। বিএনপির হাইকমান্ড যদি এগুলো নিয়ন্ত্রণ না করে তবে সয়দাবাদ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের চেয়েও ভয়াবহ খারাপ অবস্থা হবে বিএনপির।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক বিএনপি এক নেতা বলছে, আমরা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নিকট রফিকের কার্যকলাপ সর্ম্পকে কোন অভিযোগ জানাতে পারি না। পারলেও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পিএস রফিক এর ছোট ভাই শফিককে দিয়ে আমলে নিতে দেয় না।




Daily Aporadh Prokash