Uncategorizedঅন্যান্যঅপরাধআইন – আদালতজাতীয়

একতরফা প্রেমের টানে আশুলিয়ার গাজীর চট হক মার্কেট যুবতীর অনশন

মেহেদী হাসান নিজস্ব প্রতিবাদকঃ

গাইবান্ধার সদর থানা সাহাপাড়া ইউনিয়ন আতোয়ার সরকারের কন্যা মোসাম্মৎ জান্নাত আক্তার ৪২ গত বৃহস্পতিবার থেকে হক মার্কেট এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসলে তাকে জিজ্ঞেস করা হয় সে উত্তরে বলেন মামুন নামের ছেলেটির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক তিনি মামুনের কাছে এসেছেন। পরে মামুনকে ডেকে জানতে চাওয়া হয় মামুন বলেন দুই বছর আগে আমাদের কোম্পানিতে সে চাকরি করতো আমি তাকে চিনি না সে আমাকে চিনে তিনি এখন যা বলছেন তা পুরোপুরি সাজানো এবং মিথ্যা

মামুন আরো বলেন আমার স্ত্রী আছেন সন্তান আছে তার সঙ্গে আমার কোন প্রকারে সম্পর্ক নেই তিনি যা বলছেন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কথা এবং পুরোটাই মিথ্যা। পরে এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয় বিএনপির নেতা মুক্তার হোসেনকে বিষয়টি অবগত করেন পরে মুক্তোর হোসেন এলাকাবাসী সহ 

ছেলে মেয়ে দুজনকেই  নিয়ে সামনা সামনি বসেন এবং মেয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয় মামুন ও তার সম্পর্কের কথা। মেয়েটির সঙ্গে মামুনের সম্পর্কের কোন সত্যতা দিতে পারেন নাই এবং কথা এলোমেলো বলতে থাকেন। মেয়েটিকে বলা হয় তোমার অভিভাবকদের মোবাইল নাম্বার বা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ কর। 

প্রথম অবস্থায় সে কোন ভাবেই তার অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করতে বা মোবাইল নাম্বার দিতে চাইনাই পরবর্তীতে সে তার ভাইয়ের ফোন নাম্বারটি দেন। তার ভাইয়ের ফোন নাম্বারে এখান থেকে যোগাযোগ করা হইলে তিনি শনিবার সকালে তার চাচাকে সঙ্গে নিয়ে আশুলিয়ার হক মার্কেটে চলে আসেন। পরে বিষয়টি নিয়ে আবারো বসা হয় মুক্তার হোসেনের অফিস কক্ষে। বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন মুক্তার হোসেন একপর্যায়ে দেখা যায় মেয়েটি যা বলছেন সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন তার কথা এলোমেলো একেকবার একেক রকম তথ্য দিচ্ছেন তিন। মেয়েটির চাচা,,,,,,, তখন বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং ধারণা করেন হয়তোবা মেয়েটার কোনরকম মানসিক সমস্যা রয়েছে। 

পরে চাচা,,,,,,, ও ভাই,,,,, 

বলেন আমাদের মেয়ের মাথায় সমস্যা আমরা বুঝতে পেরেছি আমরা তাকে এখান থেকে নিয়ে বাড়ি যেতে চাই এবং বাড়ি নিয়ে তাকে চিকিৎসা করাবো। এবং তারা আশ্বস্ত করেন তাদের মেয়ে আর কখনো এখানে এসে এলাকাবাসী ও মামুনকে বিরক্ত করবেন না। 

পরে ছোট্ট একটি লিখিত রেখে তার ভাই ও চাচার হাতে তুলে দেওয়া হয় জান্নাতিকে পরে চাচা ও ভাই জান্নাতকে এখান থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে নিয়ে চলে যান। 

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button