নিজস্ব প্রতিবাদক ঃ
৫ আগস্টের পর থেকে আশুলিয়া থানায় যোগদান করা কোন অফিসার ইনচার্জ-ই নিরাপদ নেই। কিছু হলুদ সাংবাদিকদের দালালী করতে না দেওয়ায় এবং স্বার্থ রক্ষা না করায় একের পর এক এবং একাধিক ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে আসছে অসাধু এক শ্রেণীর নামধারি হলুদ সংবাদ কর্মী। মিথ্যা অভিযোগ থেকে বাদ পড়লেন না (ওসি) আব্দুল হান্নানও।অথচ,ওসি আব্দুল হান্নান যোগদান করার পর হতে তার কঠোর আইনি তৎপরতায় চুরি, ছিনতাই,কিশোর গ্যাং ও নারী নির্যাতনের ঘটনাও যথেষ্ঠ কমেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে (ওসি) আব্দুল হান্নানের কঠোর প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানে ক্ষুব্ধ হয়ে কিছু অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা ও কিছু কিছু হলুদ সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই চক্রটি ইতিপূর্বে থানার আশপাশে দালালি ও ঘুষ বাণিজ্য করত।ওসি আব্দুল হান্নান যোগদানের পর তাদের সেই অবৈধ ও অসৎ আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যায়।যারফলে, ওসি“র বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে ঐ চক্রটি।
বিষয়টি নিয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, আমি বিশ্বাস করি, পুলিশ যদি জনগণের পাশে থাকে, অপরাধ নিজে থেকেই কমে যাবে। আমি মাননীয় ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান স্যারের দিক নির্দেশনায় আশুলিয়াকে আমরা একটি শান্তিপ্রিয়, নিরাপদ ও আইনশৃঙ্খলাপূর্ণ মডেল থানা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
বর্তমানে আশুলিয়া থানা শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রতিষ্ঠান নয় এটি জনগণের আস্থা, নিরাপত্তা ও সেবার প্রতীক হয়ে উঠেছে। (ওসি) আব্দুল হান্নানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা এখন প্রতিদিনের সেবায় মানবিকতা ও দায়বদ্ধতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। ইতিমধ্যে একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে যা লেখা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য বলে ও দাবি করেন তিনি।
উল্লেখ্য , ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পরে উল্লেখযোগ্য হারে (ওসি) পরিবর্তনের ঘটনা যেন নজির হয়ে আছে। তার মধ্যে ভালো ভাবে দায়িত্ব পালন করেও যেন মন রক্ষার প্রতিযোগিতা চলে এখানে। পান থেকে চুন খুললেই শুরু হয় বিরোধিতা।হাতিয়ার স্বরুপ ব্যবহার করা হয় এই অঞ্চলের কিছু নামধারী গণমাধ্যমকর্মীকে।
তবে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও সাংবাদিকতার উপর যেন আস্থা না হারায় সেদিকে বিশেষ নজর রাখারও দাবি জানান সচেতন মহল।
কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও কিছু সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই চক্রটি পূর্বে থানার আশপাশে দালালি ও ঘুষ বাণিজ্য করত। এখন তাদের সেই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।