মনির হোসেনঃ
সিরাজগন্জ জেলার সলঙ্গা থানায় সাংবাদিক পরিবারের উপর ভুমিদস্যু ও সন্ত্রাস বাহিনী হামলা চালায়। গত ৭ডিসেম্বর সন্ধায় ৯নং হাটিকুমরুল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড রানীনগর গ্রামের সাঈম সরকার এর পরিবারের উপর এই ঘটনাটি ঘটে। দৈনিক গণমুক্তির স্টাফ রির্পোটার সাঈম সরকার জানায়, আমার গ্রামের মৃত-আব্দুল মজিদ সরকারের ভুমিদস্যু ও সন্ত্রাস প্রকৃতির এবং বিকৃত মস্তিষ্কের ৪ সন্তান আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপুর্ণ মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় করায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গোলাম মর্তুজা(৪৭) লেংড়া গোলাম ৫৭ শুধু তাই নয় আমার ১০ বছরের শিশু কন্যা ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে প্রতিদিন উত্তপ্ত করে আসছে। গতকাল ৭ ডিসেম্বর সন্ধা অনুঃ ৬.০০টায় বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ পুর্বক বিভিন্ন ভয়ভিতি হুমকী প্রদান করায় আমার মেয়ে ও স্ত্রী ভয়ে ঘর থেকে বাহীর হতে পারছে না। এমনকি আমার কন্যার ফাইনাল পরিক্ষা চলা অবস্থায় পরিক্ষা দিতে যেতে পারে নাই।সুত্রঃআপনারা হয়ত অনেকেই অবগত আছেন যে,আমার বাবা ইন্তেকাল করার পরে দীর্ঘদিন যাবৎ আমার বাবার ক্রয়কৃত সম্পতি জোর জুলুমে দখলের চেষ্টা করে আসছিলো। তার-ই ধারাবাহিকতায় গত ২০১১ সালে হত্যার উদেশ্য দেশিও অস্ত্র স্বস্ত্র সুসজ্জিত হয়ে এসে আমাদের স্বপরিবারের উপর আচমকা হামলা চালায় এবং পরিবারের সবাই আহত হয়।৩২৬ধারাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা দায়ের করলে সেই মামলা ১৫লাখ টাকার বিনিময়ে স্বাক্ষী প্রমান ছাড়াই একতরফা রায়ে তারা খালাস পায়। ঐ সময় জমিজমা নিয়ে একটি মামলা দায়ের করলে মহামান্য আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেন।ঐ রায় অমান্য করে ঐ সন্ত্রাসীগণ উচ্চ আদালতে রিবিসন মামলা দায়ের করে।সেখানেও আমাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন আদালত। এমনকি,স্থানীয় সরকার ইউপি চেয়ারম্যান এর গ্রাম্য আদালতেও আমাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন।যা ক্রয় সুত্রে,১৯৯২সালে হতে নামজারি ও ২০২৮ সাল পর্যন্ত খাজনা-খারিজ সম্পন্ন পরিশোধ রহিয়াছে। পুরুষ শূন্য ফাকা বাড়ীতে আবারও কিছু অংশ দখল করার চেষ্টায় ২ট্রাক মাটি ভরাট করেছে এবং সেখানে খড়ের পালা দিয়েছে।খবর পেয়ে আমি বাড়ীতে গিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করি। পুলিশ বাড়ীতে তদন্তে এসে ফিরে যাওয়ার পর হতে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপুর্ণ মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে এবং আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনায় দা,ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে বের হয় গোলাম মর্তুজা ও লেংড়া গোলামসহ ওরা ৪ (চার) ভাই।সাথে গোলাম মোস্তফা ওরফে লেংড়া গোলামের স্ত্রী ও মর্তুজার স্ত্রীসহ ৭/৮জন। আমি নিজেকে বাচাতে দৌড়ে সরে যেতে পারলেও আমার অসহায় পরিবারের উপর চালাচ্ছে অমানুষিক নির্যাতন। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ করেও সুফল মিলছে না।