আশুলিয়া থানায় অভিযোগের তদন্ত না করে মামলা আদালতে প্রেরণ-১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আশুলিয়া থানায় অভিযোগের পর তদন্ত না করেই তরিঘরি করে নিরীহ ২ জন কে ফাঁসিয়ে মামলা দায়ের করে জসিম নামের একজন কে আদালতে প্রেরণের অভিযোগ উঠেছে।
গত ২৮ ডিসেম্বর (রবিবার) আনুমানিক রাত ০৭.১৫ ঘটিকার সময় আল-আমিন নামে এক ব্যাক্তি থানায় হাজির হইয়া ৩ জনকে বিবাদী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিবাদীগণ হলেন- ১.মোঃসুলতান(৪৫) পিতা-অজ্ঞা, ২.মোঃ জসিম(৬০) পিতা-মৃত সাইদ আলী, ৩.মোঃ কালু মিয়া(৫০) পিতা- অজ্ঞা,সাং পুর্ব ডেন্ডাবর,থানা-আশুলিয়া,জেলা-ঢাকা।সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগের তদন্ত না করে রাত ১১.০০ঘটিকায় আশুলিয়া থানার এস আই মনিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে আসেন এবং দুই নং বিবাদী জসিমকে তার বাসার সামনে পেয়ে ১নং বিবাদী সুলতান এর বাসা দেখিয়ে দিতে বলেন। এ সময় এলাকার জনগণ বলেন, জসিম আপনাদের সাথে কেন যাবে? জসিম কারো বাসা দেখিয়ে দিয়ে শত্রু হবে কেন? আপনারা খুজে বের করে নিন।পরে পুলিশ এর এস আই মনিরুল সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করেন।এক পর্যায়ে দেখা যায় আশুলিয়া থানা পুলিশের এস আই মনিরুল ইসলাম মামলার ১নং বিবাদী সুলতানা এর বাসা দেখানোর নামে নাটকীয় কায়দায় জসিম কে থানায় নিয়ে যায়। পরে কিছু নামধারী দালাল সাংবাদিক ও পুলিশ এর এস আই মনিরুল ইসলাম জসিমকে-সহ একই এলাকার সন্মানিত গুনিজন কালু সাহেব কে ফাঁসিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করান। সেই মামলায় জসিম ও কালু সাহেব এর বিরুদ্ধে ধারা ( ৩২৩- মারধর ও ৫০৬ হুমকি ) এর অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলার বাদী আল-আমিন বলেন, গত দুই মাস আগে আমার মেয়ে আলো(৮)এবং আমার পাশবর্তী ভাড়াটিয়া ফরিদুলের মেয়ে ফাতেমা ( ৮) এর সহিত আমার পরিচিত সুলতান নামের একজন দুই শিশু কন্যার সহিত খারাপ আচরনের চেষ্টা করেন। বিষয়টি দুই মাস পরে গত ২৮-১২-২০২৫ বিকাল পাচ ঘটিকার সময় জানায়।এসময় আমার বাসা থেকে ১০০ গজ দুরে মামলার ১নং আসামী সুলতান কে দেখিতে পাই এবং তাকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞেস করিলে আমার সাথে হাতাহাতি হয়। পাশে থাকা ২ ও ৩ নং বিবাদী আমাকে ১নং আসামি সহিত রাস্তায় ঝগড়াঝাটি করতে নিষেধ করেন।পরে ভুল বশত ২ নং বিবাদীর সাথে আমার কিছু কথা কাটাকাটি হয়।তখন, ৩নং বিবাদী আমাকে ঝগড়া করতে মানা করেন এবং ন্যায় বিচার পাওয়ার আশ্বাস দেন। তার কথায় আমি বসায় চলে যাই।এর কিছুক্ষন পর কিছু নামধারী সংবাদ কর্মীর লোকজন আমার বাসায় আসে এবং থানায় মামলা করতে বলে।তারা বলে মামলা হলে পরে মোটা অংকের টাকা নিয়ে আপোষ করাইয়া দেবো। আমি ১নং বিবাদী সুলতান এর বিরুদ্বে অভিযোগ দায়ের করার পর এস আই মনিরুল আমার কাছ থেকে আরও একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে একই এলাকার ২জন নির্দোষ ব্যাক্তিকে ফাসিয়ে নতুন করে আর একটি অভিযোগ দায়ের করেন।বিষয়টি আমি জানতে পেরে ওসির রুমে যেয়ে মামলা করতে না রাজি হলে ওসি আমার সাথে খারাপ ব্যবহার ও অপমান জনিত কথা বলে রুম থেকে বের করে দেন এবং মামলা রেকড করেন। দুই মাস আগের ঘটনাকে চলতি মাসের ৫ তারিখ দেখিয়ে মামলাটি নতি ভুক্ত করেন। কোন উপায় না পেয়ে ২ ও ৩ নং আসামি কে বাদ দিয়ে ১নং আসামির বিরুদ্বে গত ২৯-১২-২৫ এ আদালতে ২২ ধারা জবানবন্দি রেকড করি।
,এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার এসআই মনিরুল এর কাছে তদন্ত ছাড়া ২ ও ৩ নং আসামির মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বাদীর অভিযোগের পর তদন্তনছাড়া যে কোন ব্যাক্তির নামে মামলা করা যায় এবং গ্রেফতার করা সম্ভব। এমন বক্তব্যে সাংবাদিকগণের সহযোগিতায় বিষয়টি ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কে অবগত করা হয়।



