

স্টাফ রিপোর্টার :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে বিজয়ী দল বিএনপি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের এই মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন।
পরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’র ক্ষমতাবলে আরো মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন মাননীয় নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তবে এ তালিকায়ও স্থান পাননি দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতা টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভূঞাপুর) আসনের সাবেক এমপি ও উপমন্ত্রী এবং ২০২৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারিতে হয়ে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে বাংলাদেশের মধ্যে ভোটের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করা সংসদ সদস্য, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এ সময় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী পরিষদ থেকে বাদ পড়া জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে অন্যতম রয়েছেন,
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষা,তথ্য এবং শিল্প উপমন্ত্রী ও বর্তমান টাঙ্গাইল-২ আসনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী’র চেয়ে অনুঃ ১,৪৭,৩৪২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হওয়া সংসদ সদস্য, এড.মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু।
অথচ,সারা বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয় লাভ করেন টাঙ্গাইল-২ আসনের নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য।
বিজয়ের ধ্বনি শোনা যায় দেশের প্রত্যেকটি পাড়া মহল্লায়, এবং মানুষের মুখে মুখে প্রশংসায় ভাসেন আব্দুস সালাম পিন্টু।
সারা বাংলাদেশের মধ্যে নবীন প্রবীণ যারা আছেন, অর্থাৎ যারা তাকে চেনেন তারা অত্যন্ত আনন্দের সাথে বলে বেড়াচ্ছেন এবার আব্দুস সালাম পিন্টু সাহেব একটি বড় মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় স্থান পাবেন।
কারণ,তাঁর মত এতো নির্যাতিত ব্যক্তি এই দলের মধ্যে খুব কম’ই আছে।
এদিকে এমপিদের শপথ বাক্য পড়ানো শেষে যখন বিকেলে আরেকটি শপথ বাক্য পড়ানোর জন্য মন্ত্রিপরিষদের লোকজনদেরকে ডাকা হয়,
সেখানে নাম পাওয়া যায়না বিএনপি’র প্রবীণ ও ত্যাগী হেভি ওয়েট বেশ কিছু মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের ।
তাদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচিত ব্যক্তি আব্দুস সালাম পিন্টু। যিনি বিনা-দোষে ফাঁসির আসামী ছিলেন!
তার নামটিও যখন না শুনেন সাধারণ মানুষ গুলো- বিশেষ করে টাঙ্গাইল বাসীর জনগণ, তখন তারা হতভম্ব ও আশ্চর্য হয়ে বলেন,হায় আফসোস!
এমন একজন ভালো মানুষ ও সর্বোচ্চ নির্যাতনের শিকার এবং বাংলাদেশের মধ্যে ভোটের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন কারী ব্যক্তিকে মন্ত্রণালয়ের মত একটি জায়গায় রেখে তাকে সম্মানিত করা হলো না!
যাকে আমরা সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে এমপি বানালাম। আমাদের বিশ্বাস ছিল মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তিনি থাকবেন।
কিন্তু আজ তার জন্য এই দিন দেখতে হলো?
এ ধরনের মানবিকতা তার সাথে করা হবে এটা ভাবতেই যেন দু’চোখে জল এসে যায় আমাদের!
এই জন্যই কি ১৭টি বছর ঝাড়ে জঙ্গলে,খাল বিলে,নদীর মাঝখানে,রাত্রিযাপন করেছি আমরা?এমনকি জেল জুলুমের শিকার হয়েও এই বিএনপি নামক দলের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম!
একজন সালাম পিন্টু” যিনি মেয়ের বিয়ের সময় বাবা হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেননি তাঁর বড় মেয়ে পূর্ণির পাশে!
শুধু কি তাই? তাঁর মায়ের শেষ বিদায়ের সময় মুখ দেখা তো দূরের কথা কবরে এক মুঠো মাটি দেওয়ারও সৌভাগ্য হয়নি বড় ছেলে হিসেবে আব্দুস সালাম পিন্টু’র!!!
এতো ত্যাগ তিতিক্ষা আর অসহনীয় শারীরিক নির্যাতনের পরে-ও যিনি জিয়া পরিবারের প্রতি তিল পরিমাণ ভালোবাসা থেকে পিছপা হননি।
যার জীবনের উপর দিয়ে কষ্ট নামক রেলগাড়িটা প্রতিনিয়ত ঢলে-মুচড়ে আসা-যাওয়া করেছে সেই নিরহংকার ও নির্লোভ মানুষটির জেল জীবনের প্রতিটি মূহুর্তে!!
তা-কি কেউ ফিরিয়ে দিতে পারবে!???
এমন প্রশ্নের তীর ছুড়ে দিলেন,বিএনপির ঊর্ধ্বতন নীতি নির্ধারকদের প্রতি টাঙ্গাইল বাসীর সর্বস্তরের জনগণ।
উল্লেখ্য যে,বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হওয়া তাদের এই জনপ্রিয় নেতা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী এবং বর্তমান সরকারের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, এড.মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু মহোদয়কে যেন মন্ত্রী পদমর্যাদা দিয়ে তাঁর প্রাপ্য সম্মানে ভূষিত করা হয়।
এমনটাই দাবী জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কাছে টাঙ্গাইল বাসী।




Daily Aporadh Prokash