অপরাধআইন – আদালত

আশুলিয়ার গাজির চট মুন্সিপাড়ায় ২ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়াই বাড়ি ঘরে হামলা ও লুটপাট।

নিজস্ব প্রতিবাদক মেহেদী হাসানঃ

আশুলিয়ার থানাধীন গাজীর চট মুন্সিপাড়া তালতলা সংলগ্ন এলাকায় ৩০ বছর আগে মানিকগঞ্জ থেকে আসা মোসাম্মৎ আঞ্জুমান আরা ও তার স্বামী, মোঃ শামীম আহাম্মেদ, সহ দুই ছেলে মেয়ে নিয়ে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নিজের টাকায় কিনা জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন তারা। হঠাৎ গত ১১ই মার্চ ২০২৬,সকাল আনুমানিক সাড়ে ০৬:৩০দিকে, হাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়ির দরজার সামনে দাঁড়িয়ে, 2 লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে, চাঁন মিয়া (৩৫), এই নিয়ে চলে বাড়ির মালিক মোঃ শামীম আহমেদ এর সঙ্গে বাগ বিতর্ক। বাগবিতর্কের পর অস্ত্র ধারী চাঁন মিয়া (৩৫) চলে যায় তার আস্থানাই। গিয়ে সেখান থেকে মোঃ আফজাল (৩৬)ও সিয়াম (১৮) রিফাত (১৮) সহ আরো অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র লোহার পাইপ সহ ওই দিনেই বেলা সাতটার দিকে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ শামীম আহমেদের বাড়িতে এলোপাতাড়ি আক্রমণ চালায়,বাড়ির স্টিলের, দরজা ও জানালায় আঘাত করে ভেঙ্গে ফেলে বাড়ির লোহার দরজা, পরে প্রবেশ করে ঘরের ভিতরে, ধারালো অস্তরের মুখে জিম্মি করে মেয়ে সুরভী আক্তার ও ছেলে আশরাফুল কে, পরে তাদেরকে এক রুমে আটকে রেখে । চালায় ঘরের ভিতরে ভাঙচুর।, ভাঙচুর শেষে লুট করে নিয়ে যায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের একটি ল্যাপটপ,এলইডি টিভি,একটি রাইস কুকার, একটি ইনডাকশন কুকার, এবং মেয়ে মোছাম্মৎ সুরভী আক্তারের, জাতীয় পরিচয় পত্র ও পাসপোর্ট সহ মূল্যবান জিনিসপত্র। এই সমস্ত মালামাল নিয়ে যাওয়ার সময় সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, মোছাম্মৎ আঞ্জুমান আরা, আর তখনই সন্ত্রাসী চাঁন মিয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আঞ্জুমান আরার মাথায়, সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে প্রচন্ড রক্ত ক্ষরণ হতে থাকে এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে নোটিয়ে পড়েন। আর এই সুযোগেই সবকিছু নিয়ে চলে যায় এই সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা এমনটাই বলছিলেন ভুক্তভোগী, মোসাম্মৎ আঞ্জুমান আরা। এই বিষয়ে আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোছাম্মৎ আঞ্জুমান আরা।

বিষয়টি আরো ভালোভাবে জানতে আমাদের সাংবাদিক মেহেদী হাসান জান চাঁনমিয়ার বাড়িতে সেখানে গিয়ে ঘরে তালা বদ্ধ কাউকে পাওয়া যায় নাই। তবে তার আত্মীয়-স্বজন বলেছেন তিনি একজন মাদক সেবী এবং চাঁদাবাজি, জমি দখল, সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকেন। এমনটাই বলেন তার পার্শ্ববর্তী আত্মীয়-স্বজন।

প্রত্যক্ষ দুষিরা বলেন তারা ভয়ে কেউ কাছে আসতে পারেন নাই তাদের হাতে ছিল ধারালো অস্ত্র ও লোহার রোড এবং স্টিলের পাইপ।

অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক সায়মন শেখ বলেন এ বিষয়ে বাদীপক্ষ মামলা করলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button