সাঈম সরকারঃ
সাম্প্রতিক সময়ে আশুলিয়ায় মহাসড়কের ফুটপাতে হাত বদল করে চলছে চাঁদাবাজি।নেই কোন স্থায়ী প্রতিকার। সজল, আশরাফ ও আনোয়ার নামের তিন অসাধু ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ব্যাপক হারে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।চাঁদা না পেলে ঐসব ক্ষমতাশীল চাঁদাবাজ গংদের দ্বারা লাঞ্চিত হতে হয় বলে জানান হকাররা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডি.ইপিজেড এলাকায় ফুটপাতের হকারগন বলেন,এর আগে বলিভদ্র মন্ডল মার্কেটের সামনে মহাসড়কের ফুটপাতে মোঃ ফয়সাল হোসেন(২৪),পিতা-আব্দুল জলিল নামে একজন প্রতিটি হকারদের নিকট থেকে নিত্যদিন ৮২টি দোকান থেকে ৫০ হতে ১৫০এবং সিকিউরিটি গার্ড এর নামে প্রতিমাসে ১০০০(এক হাজার) টাকা আর ডি.ইপিজেড পুরাতন জোনের ফুটওভার ব্রীজ থেকে শুরু করে ১২৩(একশত তেইশ)টি ও ডি.ইপিজেড নতুন জোন এর সামনে থেকে হাসেম প্লাজা পর্যন্ত ৫৮টি দোকানে হকারদের নিকট হতে রোকন নামে একজনের নেতৃত্বে মোঃ জাকির হোসেন নামে একজন লাইট বিল বাবদ ৫০ হতে ১৫০ এবং সিকিউরিটি গার্ড এর নামে প্রতিমাসে ১০০০(এক হাজার) টাকা হারে চাঁদা আদায় করে আসছিল।কিন্তু,গত ১৮ মে দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকায় প্রকাশিত আশুলিয়ায় ব্যাপক চাঁদাবাজি শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পরে সেটা হাতবদল হয়েছে।এখন আবার সমহারে চাঁদা আদায় করে আসছে স্বজল ও আশরাফ নামের আর এক গ্রুপ-এমনটাই জানান হকারগণ।তারা আরো বলেন, চাঁদার টাকা না দিলে জোর-জুলুমে লাঞ্চিত করে আসছে। জোর-জলুমে মালামাল নষ্ট করে ফেলে দেওয়া-সহ বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে ফুটপাত থেকে চলে যাওয়ার হুমকী দিয়ে আসছে। স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দগণ জানান যে,আমাদের দলের রাজনীতিবিদ ব্যাক্তিত্বদের নাম ব্যবহার করে কিছু অসাধু ব্যাক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ চাঁদাবাজি করে আসছে।অথচ,সে বিষয়ে কোন কিছুই জানেন না বলে জানান তারা।ওনারা আরো বলেন যে,,কে বা,,কারা চাঁদাজির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিএনপি দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে আসছে।ঐ সব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবিও জানান তারা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম দৈনিক গণমুক্তিকে জানান যে,বিষয়টি তার জানা নেই।সঠিক তথ্য পেলে আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।