আশুলিয়ায় ডি.ইপিজিড এলাকায় পালটিয়েছে দখলদার ও চাঁদাবাজ


সাঈম সরকারঃ
ঘনবসতিপূর্ণ শিল্প এলাকা আশুলিয়ায় জুট ব্যবসা থেকে শুরু করে ফুটপাত ও অভারব্রীজের নিচে যাত্রী ছাউনি গুলোতে বেড়েই চলছে দখলদারিত্বের মহা উৎসব এবং ভবিষ্যৎ আখের গুছাতে চাঁদাবাজি।
আওয়ামী সরকার পদত্যাগ করার আগে দখল ও চাঁদাবাজি করেছে এক গ্রুপ এবং পদত্যাগ করার পরের দিন থেকে শুরু হয়েছে আর এক গ্রুপের।একদল প্রানের ভয়ে ঘর ছেরেছে আর এক দল এসে সেই ঘর দখল করেছে। এ যেন হরিলুটের রাজ্য।
ঘনবসতিপূর্ণ শিল্প এলাকা আশুলিয়ায় ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বেড়েই চলছে দখল-লুটপাট ও চাঁদাবাজি ।
নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের গণকবাড়ী এলাকায় ডি. ইপিজেড পুরাতন (জোন)এর সামনে অভার ব্রীজের নিচে যাত্রী ছাউনি দখল করে টিন দিয়ে গড়ে তুলেছে ৫/৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (দোকান)।প্রতিটা দোকান থেকে প্রতি মাসে গড়ে ৯/১০ হাজার টাকা ভাড়ার নামে চাঁদা আদায় করে আসছে ভাদাইল গ্রামে বসবাসরত শরিফুল ইসলাম শরিফ ও কাশেম নামে দুই ব্যক্তি।একটি দোকানে কাশেম নিজেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। কাশেম জানায়,এর আগে ড্যান্ডাবর এলাকার কয়েকজন-কে ভাড়া বাবদ দিতে হয়েছে প্রতিমাসে ৫হাজার টাকা। সরকার পালটানোর সাথে ভাড়াও বেড়ে গেছে। শরিফুলে ইসলাম শরিফকে এখন বেশি দিতে হয়।
পাশের দোকানদার বলেন,কাশেম নিজেই প্রতিমাসের ভাড়া টাকা তুলে নেয়। সে অন্য কাহাকেও দেয় কিনা জানা নেই।তবে,শরিফুল ইসলাম শরিফ কাশেমকে ভাড়ার টাকা দিতে বলেছেন।
শিল্প এলাকা আশুলিয়ায় ফুটপাত ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দখল-লুটপাট ও চাঁদাবাজি বন্ধ হবে তখনই।যখন কিনা আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির বিধান বাস্তবায়ন করা হবে। এমন মন্তব্য করেন সুশীল সমাজসহ সাধারণ মানুষ। জানতে চাইলে,আশুলিয়া থানার তদন্ত (ওসি)মাসুদুর রহমান বিষয়টি জানেন না বলে গণমুক্তি-কে জানান।



Daily Aporadh Prokash