ভারেঙ্গা একাডেমিতে ফ্যান চুরির মামলায় স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ছেলে গ্রেফতার…


বিশেষ প্রতিনিধি, (পাবনা) : ভারেঙ্গা একাডেমিতে ফ্যান চুরির ঘটনার মামলায় স্কুলটির প্রধান শিক্ষকের ছেলে কে গ্রেফতার করেছে বেড়া মডেল থানার পুলিশ।
রবিবার ১৩ জুলাই গভীর রাতে তাকে স্কুলের পার্শ্ববর্তী নতুন ভারেংগার নিজ বাডি থেকে গ্রেফতার করা। চুরির মামলায় অভিযুক্ত ইমরুল কায়েস ( হৃদয়) (২৭) ভারেঙ্গা একাডেমি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমানের ছেলে।
সরেজমিন ঘুরে জানায় পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভারেঙ্গা একাডেমি (স্থাপিত ১৮৫৮) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাধিক বার চুরি ঘটনা ঘটলেও প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমান এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেন না অদৃশ্য কারণে । পুর্বের ন্যায় এবারও চুরির ঘটনা টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করে বলেন এলাকাবাসির প্রতিবাদে মামলা করলেও প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমান নিজে মামলা না করে কৌশলে উল্টো স্কুলের দফতরি কে দিয়ে মামলা করিয়েছেন। চুরির ঘটনা টি যাতে আড়াল করা যায় এবং চুরির রহস্য উদঘাটন না হয়। এলাকাবাসীর দাবী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টি চোর চক্র ও মাদকের হাত থেকে রক্ষা পাক।
স্থানীয় এলাকাবাসী সুএে জানা যায় গত ২ জানুয়ারি ভারেঙ্গা একাডেমিতে ছয়টি ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটলেও পরদিন স্থানীয় কালামের ভাঙ্গারি দোকান থেকে ছয়টি ফ্যান উদ্ধার করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরি। চুরির ফ্যান উদ্ধারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিষয় টি স্থানীয় জনগণ জানাজানি হলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে জানান। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থালে বেড়া মডেল থানায় কর্মরত পুলিশের সদস্য এস আই রুহুল আমিন ও এ এস আই সুধীর এসে স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে উক্ত মালামাল ছয়টি ফ্যান গ্রাম পুলিশের সদস্য হাবিলের জিম্মায় রেখে যায়। চুরির মালামাল গ্রাম পুলিশের সদস্য হাবিলের নিকট থেকে পরবর্তী বেড়া থানার পুলিশ উদ্ধার করে ফ্যান গুলো তাদের জিম্মায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য ইতিপূর্বে উক্ত চুরির মামলায় ভাঙ্গারি দোকান আবুল কালাম দীর্ঘ দিন কারাভোগ করেন।
ভারেঙ্গা একাডেমি স্কুলের পার্শ্ববর্তী একাধিক ব্যক্তি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমানের ছেলে মাদকাসক্ত। সে মাদক কারবারিদের নিয়ে স্কুলে মাদক সেবন কেনা বেচা সহ স্কুলেটিতে ইতিপূর্বে বিভিন্ন অপকর্ম করলেও তার বাবা প্রধান শিক্ষকের প্রভাবের কারণে এলাকাবাসী কিছু বলতে সাহস পায় নি।
তার নামে স্কুলের ঘন্টার
বেল-সাবমারসিবল-ল্যাপটপ-বিদুতের তার টিউবওয়েল চুরি সহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। সে এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি। স্কুলে দিনে দুপুরে তার সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে মাদকের রামরাজত্ব কায়ম করে। তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলার সাহস পায়না ভয়ে।
এ বিষয়ে বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ অলিউর রহমান বলেন তার বিরুদ্ধে চুরি সহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। সে চুরির মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তাকে পাবনা জেল হাজতে প্রেরণ হয়েছে।




Daily Aporadh Prokash