ধারের টাকা চাইতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি
দ্বিতীয়পর্বে একাধিক বিয়ে করে বউ-য়ের সঙ্গে প্রতারণা,


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
আশুলিয়া জামগড়া ইউনিক বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন, লাইফ কেয়ার হোমিও হল নামে হোমি ডাক্তার ও ওষুধের দোকানদার আরিফুজ্জামান আরিফ। হোমিও ঔষুধের পাশাপাশি ইউনানী ঔষধের সাব ডিলার নেন, ক্রাউন ল্যাবরোটরীর এরিয়া ভিত্তিক ম্যানেজার সোহেলের নিকট থেকে।
সোহেল ক্রাউন ল্যাবরেটরীর ঔষধ কোম্পানির আশুলিয়া, সাভার, ধামরাই, ও টঙ্গী, থানা,এরিয়া ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন।
সাব ডিলার নিয়ে শুরু করে দোকানে দোকানে ঔষধ বিক্রির ব্যবসা। আর এই ইউনানী ঔষধের ব্যবসার সঙ্গে পার্টনার হিসেবে যুক্ত করেন মেহেদী হাসানকে। আরিফ বিভিন্ন সময় নগদ এবং ব্যাংক চেকের মাধ্যমে মেহেদী হাসানের নিকট থেকে টাকা গ্রহণ করে এক লক্ষ ৯২ হাজার। এই এক লক্ষ ৯২ হাজার টাকা ক্যাশ দিয়ে চলতে থাকে তাদের ইউনানী ঔষধের ব্যবসা। কিছুদিন পর দুই জন মিলে ব্যবসায়িক নাম করণ করেন। এবং ২৩-১১-২০২০ তাটিখে আশুলিয়ার স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এম এ এন্টারপ্রাইজ নামে ব্যবসার জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করেন।
সেই ট্রেড লাইসেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নাম ব্যবহার করেন মেহেদী হাসান ও আরিফুজ্জামান। মূলত এই ব্যবসাটি আরিফুজ্জামান পুরোটাই পরিচালনা করতেন।
ঔষধ কিনা থেকে বিক্রি সমস্ত টাকার লেনদেন করতেন আরিফুজ্জামান। ব্যবসা করতে গিয়ে একসময় টাকার প্রয়োজন পড়ে আরিফুজ্জামানের।
মেহেদী হাসানের ক্যাশ এক লক্ষ ৯২ হাজার টাকা। কিন্তু আরিফুজ্জামানের ক্যাশ নেই,পরে আরিফুজ্জামান ব্যবসাটি আরো ভালোভাবে করতে ২লক্ষ টাকা ধার করেন, মেহেদী হাসানের ছোট ভাই ইসরাফিলের নিকট। ২লক্ষ টাকা দুই মাসের কথা বলে ধার নিয়ে আরিফুজ্জামান ধার পরিশোধ করেন না দীর্ঘদিন। তারপর আরিফুজ্জামানের সঙ্গে কয়েক দফায় বৈঠকে বসার পর ইসরাফিলকে ২লক্ষ টাকার দুইটি চেক প্রদান করেন আরিফুজ্জামান। চেক দুটোতে তারিখ উল্লেখ্য করা নেই। চেক প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ ইমরান মিয়া,মোঃ কবির মিয়া মেহেদী হাসান ও আরো ২-৩ জন। আরিফুজ্জামান চেক প্রদানের সময় বলেল ব্যাংকে টাকা জমা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি আপনাকে ফোনে বলবো আপনি চেকে তারিখ বসিয়ে ক্যাশ করে নিয়েন।
চেক প্রদানের কিছুদিন পর থেকেই শুরু হয় আবারও আরিফুজ্জামানের তালবাহানা, আজ কাল এক সপ্তা, দুই সপ্তাহ, এইভাবেই ঘুরাতে থাকে দিনের পর দিন, এমনকি বছরও পার হয়ে যায়। ইতিমধ্যে আরিফুজ্জামান ইউনিকের এই দোকানটি পরিবর্তন করে চলে যায়, জামগড়া, বটতলা, গফুর মন্ডল স্কুলের রোডে। সেখানে টাকা চাইতে গেলে ইসরাফিলকে অনেক বকাবাজী করে এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
এবং বলে আমি কারো থেকে টাকা নেই নাই, এবং আমি কাউকে চেক প্রদান করি নাই, আমার চেক হারিয়েগেছে আমি থানায় অভিযোগ করেছি।
পরে এই বিষয়ে ইসরাফিল আশুলিয়া থানায়, একটি অভিযোগ করেন অভিযোগ সূত্রে সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গেলে তিনি তাদেরকে বারবার মিথ্যে বলতে থাকেন এবং এক পর্যায়ে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে সে সত্য কথাটি বলে দেন যে সে চেক প্রদান করেছেন।
চলবে ‘১




Daily Aporadh Prokash