অপরাধআইন – আদালত
দর্শনায় রড এর বদলে বাশের পরে এবার কেরু এন্ড কোম্পানির ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম,

এইচ এম হাকিম চুয়াডাঙ্গাঃ
চুয়াডাঙ্গা জেলার দামড়ুহুদা উপজেলার দর্শনায় কেরু এন্ড কোম্পানির ৩কোটি ৭৮লাখ টাকা বাজাটের নির্মানাধীন মার্কেটের কাজ শুরু থেকেই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানিয়দের অভিযোগ, দোতলা ভবন নির্মাণে নিচের বিমের কাজ চলছে, নিচের ঢালাইতে ও দেওয়া হয়েছে এক প্রকারের হালকা সিমেন্ট আর অধিক বালির মিশ্রনের কংকিট, নিচের মেঝেতে বালির বদলে মাটি যা ব্যবহৃত হচ্ছে নির্মানাধীন ভবন দেখভাল করা ইঞ্জিনিয়ারের সামনেই,ইন্জিনিয়ার ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে বিভিন্ন অনিয়মের মধ্যেই চলছে নির্মানাধীন ভবন নির্মানের কাজ।
এতে করে ভবনের অবকাঠামো দুর্বল হচ্ছে। আর এই অনিয়ম হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে তবে এটি দেখার কেউ নেই, এ জেনো শেয়ালের কাছে মুরগী পুষতে দেওয়া ।
ঠিক এমনটাই দাবী করেছেন সুশীল সমাজের মানুষ ও স্থানীয়রা।
জানা যায়, দর্শনা-মুজিবনগর সড়কের দর্শনা প্রেসক্লাব সংলগ্ন পরিত্যাক্ত যায়গা ও পুরাতন শ্রমিক কলোনি ভেঙে নতুন করে ৮২ টি কক্ষ (দোকান পজিশন) দোতলায় যাওয়ার সিঁড়ি ঘর ও বাথরুম সহ ৩কোটি ৭৮লাখ টাকা ব্যয়ে দোতলা ভবন তৈরি করছেন কেরু এন্ড কোম্পানি। আর এই কাজ পেয়েছেন জাকাউল্লা এন্ড ব্রাদার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এই প্রতিষ্ঠানটি কাজের শুরুতেই বালির বদলে মাটি দিয়ে ভরাট করছে মেঝে। প্রতিষ্ঠানটি অনিয়মের কথা অস্বীকার করলেও ভবন নির্মাণে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী স্বীকার করেন মাটি বেশি আছে। তবে ছাদ এবং ফ্লোরের কাজ শুরু হলে মাটি কেটে সরিয়ে নেবেন বলে জানান তিনি। এদিকে চোখের সামনে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ত্রুটিপূর্ণ ভবন নির্মাণে স্থানীয় ও কেরু এন্ড কোম্পানির শ্রমিক কর্মচারীদের ক্ষোভ থাকলেও প্রভাবশালী এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না অনেকেই।
এর আগে দর্শানায় ভবন নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার করে ব্যপক সমালোচনায় পড়তে হয়েছিল একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে। খোদ সরকারকেও প্রশ্নবিদ্ধ হতে হয়েছিল নানা মহলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যক্তি বলেন ঢালাই বিম থেকে শুরু করে মাটি – বালি সিমেন্ট সহ সব ক্ষেত্রেই প্রথম থেকে অনিয়মের মাধ্যমেই চলছে এই কেরু এন্ড কোম্পানির ভবন নির্মানের কাজ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও ইন্জিনিয়ারিং সেকশনের এক প্রকারের আতাত করেই ভবন নির্মাণ কাজে অনিয়ম করছেন, এ যেনো দেখার কেউ নেই।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক জাকাউল্লাহ কে কয়েকবার ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ হয়নিই।
কাজের দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ার মাসুম বিল্লাহ বলেন, উপরে দেড় ফুট বালি দিতে হবে আর নিচে মাটি। এখন মাটি বেশি আছে, ফ্লোরের কাজ ধরলে ম্যানুয়ালি ঠিক করতে হবে।
কেরু এন্ড কোম্পানির ব্যবস্থপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, সিডিউল অনুযায়ী দেড় ফুট বালি দিতে হবে। ওখানে ইঞ্জিনিয়ার আছে, কাজের ব্যাপারে উনি ভালো বলতে পারবেন।




Daily Aporadh Prokash