অপরাধআইন – আদালত

সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি ছাড়াই রাস্তা খুড়ে চলছে ডেসকোর সংস্কার কাজ! ভোগান্তিতে জনগণ

 রাজধানী উত্তরার ৮ নং সেক্টরের বিভিন্ন সড়কে সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি ছাড়াই চলছে ডেসকোর সংস্কার কাজ, এতে ভোগান্তিতে পড়েছে পথচারীসহ সাধারণ জনগণ।

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর’২৪ রবিবার ৮ নং সেক্টরের ১১ নং সড়কের মূল অংশে  রাস্তা কেটে ডেসকোর ভূ-গর্ভ তার বসাতে দেখা গেছে। এই সংস্কার কাজ করতে গিয়ে সড়ক খুঁড়ে পাশেই ফেলা হচ্ছে মাটি ও বালু যেকারণে সড়কটি সংকীর্ণ হওয়ায় পথচারীরা হাঁটতে পারছে না এবং যানবাহন চলালত করতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে।

তবে সিটি-কর্পোরেশনের করা রাস্তা খোঁড়ার বিষয়টা একদিকে যেমন ভোগান্তি অন্যদিকে কাজ শেষে খোঁড়া-খন্দ অংশ যত্রতত্র করে ভরাট করে রেখে যাওয়ায় একটু বৃষ্টিতে কাঁদা ও গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের রোড কাটিং নীতিমালা থাকলেও তার তোয়াক্কা করছেনা এমনটাই অভিযোগ উঠেছে ডেসকোর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

উন্নয়ন প্রকল্প, খোঁড়াখুঁড়ি ও জনভোগান্তি রোধে সড়ক খনন নীতিমালা থাকলেও সেটা উপেক্ষিত।

নীতিমালায় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত খননকাজ পরিহার করার কথা উল্লেখ থাকলেও সেটা মানা হচ্ছে না। এক্ষেত্রে আন্তঃসংস্থা সমন্বয় নেই।

সিটি করপোরেশনের কাছে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রদানের কথা বলা থাকলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে তেমন সাড়া পাওয়া যায় না।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা এস ডি রাসেল বলেন, এই রাস্তা খুড়া-খুড়ির কারণে আমরা ঠিক মত হাটতে পারিনা, রিক্সা দিয়েও ঠিকমত কাজে যেতে পারিনা। রাস্তাটি দ্রুত ঠিক করে চলাচলের উপযোগী করার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।

ডেসকোর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভূইয়া মাসুদ জে ভি এর কর্মকর্তার কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি আগামীকাল সকালে অফিসে আসেন, বসে কথা বলবো।

ডেসকোর রোড কাটিং এর বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল ১ এর  নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইশতিয়াক মাহমুদকে তার কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি, তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না, আপনি আমাদের হেড অফিসে গিয়ে সিটি কর্পোরেশনের  জনপ্রশাসন শাখা থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। আমার জানামতে ৮ নং সেক্টরে ১১ কোন সংস্থাকে রাস্তা কাটিং পার্মিট দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে আমি অবগত না। আমি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নিবো।

জনভোগান্তী কমাতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলাকাভিত্তিক কমিউনিটি গ্রুপের সাথে সেবা সংস্থার আলোচনা ও করণীয় নির্ধারণ, সড়ক খনন নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ, নীতিমালা অনুযায়ী ‘ওয়ান স্টপ’ সমন্বয় সেল এবং সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চলভিত্তিক কয়েকটি মনিটরিং সেল দ্রুত কার্যকর করা প্রয়োজন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button