Uncategorizedঅন্যান্যজাতীয়ধর্মরাজনীতিসংস্কৃতি

আশুলিয়ায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা উত্তর এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

মেহেদী হাসান আশুলিয়াঃ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা জেলা উত্তর এর উদ্যেগে ১৮ই রমজান ১৪৪৬ হিজরী,
১৯শে মার্চ ২০২৫ইং বুধবার আশুলিয়া বাইপাইল এলাহী কমিউনিটি সেন্টার-এ ইফতার মাহাফিল এর আয়োজন করা হয়।

মুফতি নজরুল ইসলাম,, সহ সাধারণ সম্পাদক হেফাজতে ইসলাম ঢাকা জেলা উত্তর জোন
এর সঞ্চালনায় মাওলানা আলী আকবর সাহেব এর সভাপতিতে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা আশিকুর রহমান কাসেমী, ঢাকা জেলা উত্তর জোনের সম্মানিত উপদেষ্টা মাওলানা আবু জাফর কাসেমী, মাওলানা আনোয়ার হোসেন কাসেমী , ঢাকা জেলা উত্তর জোনের সম্মানিত সভাপতি হযরত মাওলানা আলী আকবর কাসেমী, সহ-সভাপতি মুফতি ইলিয়াস আহমদ কাসেমী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আজম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আমিনুল ইসলাম কাসেমী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আলী আশরাফ তৈয়ব, সাহিত্য ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল কবির মনির, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সুলতান মাহমুদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বক্তাদের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিলঃ হেফাজতে ইসলাম কোন রাজনৈতিক দল নয় তবে এ দেশের রাজনীতির নিয়ন্ত্রক। হেফাজতে ইসলামকে উপেক্ষা করে এ দেশের ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। অবিলম্বে ফিলিস্তিনের গাজায় বর্বর ইসরাইলি গণহত্যা বন্ধ করতে হবে এবং দিন রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের আলোকে স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে মেনে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে তিন-টি দাবি নিয়ে বক্তব্য রাখেন জোন কমিটির সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল কবির মনির তিনি বলেন।

১) নির্যাতিত কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো ২) ইসলামী দল গুলোর মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও এ ব্যাপারে ঐক্য বিনষ্ট কারীদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা।
৩) হেফাজতের ১৩ দফার সাথে আরেকটি নতুন দফা যোগ করা। এই দফায় থাকবেঃ আগামী নির্বাচনে যে বা যারা ক্ষমতা যেতে চান তাদেরকে অবশ্যই নির্বাচনী ইশতেহারে”ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, হাইকোর্ট, ও সুপ্রিম কোর্টের পৃথক শরীয়া বেঞ্চ গঠনের” প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
বক্তব্যের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি ১টি নতুন দাবী,১টি নতুন দফা যোগ করার অনুরোধ করছি। আর তা হলো “বাংলাদেশের বিচারালয়ে পৃথক শরীয়া বেঞ্চ গঠনের দাবী। এটা এদেশের মুসলমানদের ঈমান ইসলামের পাহারাদারির স্বার্থে করতে হবে।সেই সাথে বলতে চাই:আহত ও দুর্গত হেফাজত কর্মীদের পাশে না দাঁড়ালে এই সংগঠন আবেদন হারাবে ।আরেকটা কথা এত এত মানুষের ত্যাগ ও কোরবানি যেন ২/১ জনের নির্বাচনের টিকেট কিনতে খরচ হয়ে না যায়। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় আধ্যাত্মিক সংগঠন। এদেশে ঈমান ইসলাম টিকিয়ে রাখতে হলে ইসলামী দল গুলোর মধ্যে একটি শিশা-ঢালা ঐক্য প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব হেফাজতে ইসলামকেই নিতে হবে। ইসলামী দল গুলোর ঐক্য বিনষ্ট হয় এমন কোন বক্তব্য বা আচরণ হেফাজতের কোন নেতাকর্মীর কাছ থেকে প্রকাশ না পায় আমাদের নেতৃবৃন্দকে এ ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।
এতে দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,সাংবাদিক, শিক্ষা-বিদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button