অপরাধআইন – আদালত

আশুলিয়ায় ফ্লাইওভারের সেফটি বিহীন কাজ চলাকালীন

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার সাংবাদিক ইমরান খাঁন আশুলিয়ার ভাদাইল হইতে রাত আনুমানিক ১১.৩০ মিনিটে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে পল্লী বিদ্যুৎ নিজ বাসার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল চালিয়ে রওয়ানা দিলে।

ব্রীজের পিলারের ঢালাইয়ের কাজ চলাকালীন উপর থেকে বড়ো ধরনের একটি ইটের টুকরো সহ সিমেন্ট ধসে সাংবাদিক ইমরান খাঁনের মাথায় পরে।মাথায় হেলমেট পরার কারনে হালকা ব্যাথা পেলেও বড়ো ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি।আল্লাহ না করুক যদি হেলমেট বিহীন কোনো রিকশাওয়ালা থাকতো তাহলে তার অবস্থা কেমন হতো।কারন রিকশার ড্রাইভারতো আর হেলমেট পরিধান করেনা।এবং রিকশার যাত্রীও হেলমেট পরিধান করেনা।

কারন দুর্ঘটনা হওয়ার আগে কেউ চিন্তা করেনা।যখনই একটা অঘটন ঘটে তখনই সকলের মাথায় টনক নড়ে।
যদি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়।তাহলে পুরো বাংলাদেশটা নরে চরে বসে এবং প্রতিবাদের ঝড় উঠে যায়।
আর যদি কোনো সাধারণ জনগণ খেটে খাওয়া শ্রমিক দুর্ঘটনার কবলে পরে তখন পরীমনি কিম্বা মাহিয়া মাহির গল্প জাতিকে শুনিয়ে ধামাচাপা দিয়ে দেওয়া হয়।

যারা এই প্রজেক্টের দায়িত্বে আছেন ইন্জিনিয়ার এবং কন্টাক্টার তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হলে অবশ্যই এটার একটা বিহিত হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button