অপরাধআইন – আদালত

আশুলিয়ায় বিনাসুদে ঋণদিবে বলে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

বিপ্লব শেখ :
আশুলিয়ায় অন্তর্বতিকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা (বর্তমান সরকার) ডক্টর ইউনূস সাহেব এর সুনাম ক্ষুন্ন করতে তার নাম ভাঙিয়ে একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়েছে।
তারা বিনাসুদে ঋণ বিতরণ করবে বলে আশুলিয়ার মতো জনবহুল এলাকায় ৫০থেকে১০০ টাকা করে সদস্য প্রতি ভর্তি ফি নিচ্ছে। এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন যে,তাদেরকে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা থেকে শুরু করে এক কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিবে মর্মে সাধারণ মানুষ গুলোর সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতি করার পায়তারা চালাচ্ছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায়, মাসুদ পারভেজ ও রাজমিস্ত্রী’র কন্টাকটার রহমানের নেতৃত্বে এই চক্রের অনেকেই বিভিন্ন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে এই প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে প্রতারক চক্রের প্রধান মাসুম পারভেজ ও রহমানের বিরুদ্ধে।

পারভেজের গ্রামের বাড়ি খুলনা জেলায় বলে জানান তিনি।
বর্তমানে নিশ্চিন্তপুরের আমেনা মসজিদের পাশেই একটি ভাড়া বাসায় থাকেন বলে জানান তার অফিসে কর্মরত স্টাফ ও সদস্যরা।
মাসুদ পারভেজ মাঝে মধ্যে নিজেকে জাতীয় শ্রমিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস এন্ড লেদার ফেডারেশনের শ্রমিকনেতা দাবি করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় তিনি জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য দোয়া চেয়ে তার একটি বড় ফেস্টুনও লাগানো রয়েছে অফিসে।
তিনি মানবাধিকার,সাংবাদিক,শ্রমিক নেতা,লুণ্ঠিত অর্থ ফেরত,কাপড়ে ব্যবসায়ী,বিনা টাকায় বিদেশ যাওয়ার সুবিধাসহ একাধিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন বলে নিজেকে জাহির করেন এই প্রতারক পারভেজ।

উল্লেখ্য যে, এই প্রতারক চক্রটিকে আটক করতে গত বছর র‍্যাব কর্তৃক অভিযান চালানো হলে, আশুলিয়ার নরসিংহপুর থেকে অফিস পরিবর্তন করে অন্য স্থানে চলেগিয়ে কিছু দিন গাঁ-ঢাকাদিয়ে থাকার পর।
বর্তমানে সে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের তৈয়বপুর এলাকায় ফ্রেন্ডস গার্মেন্টসের সামনে আবারো নতুন ভঙ্গিতে অফিস খুলে গার্মেন্টসে খেটে-খাওয়া সাধারণ নিরীহ মানুষদের সাথে প্রতারনা করে আসছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এই ঘটনার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, পরে প্রমাণ সরুপ কিছু ডকুমেন্টস তার সামনে তুলে ধরলে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে পারভেজ বলেন, আপনারা কাকে নিয়ে আসবেন নিয়ে আসুন সমস্যা নাই। প্রশাসন না-কি তার পকেটে ভরে রাখেন। প্রশাসনকে তিনি কিভাবে পকেটে ভরে রাখেন জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আরে যা পারেন করেন গিয়ে, এরকম কতো সাংবাদিক হাওয়া করে দিলাম আর আমার কাছে তথ্য নিতে আসছেন আপনারা।
এসময় প্রতারণার কথা স্বীকার করে
প্রতারক চক্রের আরেক সদস্য আঃ রহমান সংবাদকর্মীদের দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে। শনিবার (২৪’আগস্ট) অনুঃ রাত সাড়ে আটটার দিকে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
হুমকি প্রদান কারি রহমান মিস্ত্রি। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। বর্তমানে তিনি নিশ্চিন্তপুর আমেনা মসজিদের পাশে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও জানা গেছে। এলাকাবাসীদের দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে এই প্রতারক চক্রদের গ্রেফতার করে, আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button