আশুলিয়ায় বিধি-নিষেধ না মেনে চলছে কোচিং সেন্টার

সাঈম সরকারঃ
ঘন বসতিপূর্ণ শিল্প এলাকা আশুলিয়ার প্রতিটা পাড়ামহল্লায় ব্যাঙের ছাতার মত গলা কাটা ব্য আশুলিয়ায় বিধি-নিষেধ না মেনে চলছে কোচিং সেন্টার।মানছে না বাংলাদেশ সরকারের (শিক্ষা মন্ত্রালয়ের) বিধি নিষেধ।
চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠ,সুন্দর ও নকল মুক্ত পরিবেশ রক্ষা করতে শিক্ষা মন্ত্রালয় গত ১৯ মার্চ স্বারক লিপি নোটিশ আকারে একটি বিধি নিষেধ ও নির্দেশ প্রদান করেন।বিভিন্ন বিধি নিষেধ ও নির্দেশ এর মধ্যে অনুচ্ছেদ ঠ.তে নির্দেশ রয়েছে ১০ এপ্রিল ২০২৫ হতে ১৩ মে ২০২৫ইং পর্যন্ত সকল প্রকার কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে হবে। ইতিপুর্বে বেশ কয়েকবার প্রশ্ন ফাস এর মত কেলেঙ্কারি জনক ঘটনা ঘটেছে।সেই কলঙ্ক হতে মুক্তি পেতে উক্ত বিধি নিষেধ ও নির্দেশ হতে পারে বলে মনে করেন সুশীল মহল।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রালয়ের সেই নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে প্রকাশ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে কোচিং ও সাজেশন দিচ্ছেন মোঃ মন্জুরুল ইসলাম,পিতা-মোঃ রেজানুর ইসলাম নামে এক কোচিং সেন্টারের সত্তাধিকার।
সড়েজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পলাশবাড়ী বটতলা এলাকায় বার্ডস স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিমপাশে,একটি বহুতল ভবনের নিচতলায় একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করছেন তার সেই কোচিং সেন্টার। চারটি ব্যাচে ভাগ করে সকাল নয়টা হতে সারাদিন ব্যাপি ৮০জন শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের নিয়মিত কোচিং দিয়ে আসছেন মুনজুরুল ইসলাম।
এসএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট জানতে চাইলে তারা জানায়,এই কোচিং সেন্টারে লেখা পড়ার মান ভালো।তাদের শিক্ষকের দেওয়া সাজেশন মেনে পড়া-লেখা করায় নিয়মিত সঠিক ভাবে প্রশ্নের উত্তর লিখতে সক্ষম হচ্ছি।
এদিকে শিক্ষ মন্ত্রালয়ের বিধি-নিষেধ ও নির্দেশ না মেনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের কোচিং দেওয়া সর্ম্পকে জানতে চাইলে,কোচিং শিক্ষক মুন্জুরুল ইসলাম রেগে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রতি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ক্ষেপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।কিন্তু, বিচক্ষণ ও কৌশলী সংবাদ কর্মীগণ কৌশল অবলম্বন করে মুনজুরুল কে বুঝাতে সক্ষম হন এবং মুনজুরুল নিজের ভুল স্বীকার করেন।




Daily Aporadh Prokash