অপরাধআইন – আদালত

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের হত্যাচেষ্ঠা মামলায় ১ জন আটক হলেও বাকিরা রয়েছে ধরা-ছোঁয়ার বাহিরে।

স্টাফ রিপোর্টারঃ কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ঘাটারচর  আরবী বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণাধীন পোজেক্ট থেকে পিস্তল ঠেকিয়ে  উঠিয়ে নিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামী আওয়ামী লীগের দোষরেরা এখনো রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।
সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা যায় গত ১৭/১০/২৪ তারিখে কেরানীগঞ্জের    কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন  ঘাটাচর গ্রামের হাজী আব্দুল বারির পুত্র তারা নগর ইউনিয়ন পরিষদের  প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ মামুন (৪৮) কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হাজীর হয়ে হত্যাচেষ্টা ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় একটি এজাহার দ্বায়ের করেন, এজাহার পর্যালোচনা করে  কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মামলাটি তাৎক্ষনিক রেকর্ড করেন।
মামলা সূত্রে থেকে জানা যায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী, এলাকার ভূমিদসু ও আওয়ামী যুবলীগের দোষর সহ কিশোর গেঙ্গর সক্রিয় সদস্য সহ সর্বমোট ২৮ জনকে আসামী করে মামলা দাঁয়ের করেছেন।
১৮-১০-২৪ ইং তারিখের  কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা নাম্বার  ১৭।
 মামলাতে ১ নাম্বার আসামী আওয়ামী লীগের দোষর এলাকায় ভূমিদসু হিসেবে পরিচিত ওয়াসপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের পুত্র মো: রায়হান ২,নং আসামী করা হয়েছে ১ নং আসামীর আপন ভাই এনামুল হক (৪৫), ৩ নং আসামী করা হয়েছে সাভার উপজেলার  লুটেরচর গ্রামের  ইসলাম উদ্দীন এর পুত্র রুবেল (৩৫)সহ সর্ব মোট ২৮ জনকে বিবাদী করে মামলা দ্বায়ের করেছেন ।
ঘাটারচর গ্রাম বাসির পক্ষ থেকে দোষীদের বিচারের দাবিতে এলাকা জুরে পোস্টার ফেস্টুন লাগিয়ে এলাকা বাসি।
এই মামলার আসামীদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দির্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারনে   কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন এলাকা জুরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো রাজিব বাহিনীর এই সদস্যরা,  তারা সকলে আওয়ামী যুবলীগের কেডার বাহিনী হবার কারনে তাদের সকল প্রকারের অন্যায় জুলুম অবিচারের বিরুদ্ধে কেউ মূখ খুল্লেই তাদের পড়তে হয়েছে মহা বিপদে, এমনি শত পরিবারকে এই রাজিব বাহিনীর সদস্যরা ঘর বারি ছাড়া করেছেন।
 মামলার বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সোহরাফ হোসেন বলেন, আমরা ১৭-১০-২৪ ইং তারিখে এজাহার পেয়ে মামলাটি ১৮-১০-২৪ তারিখে  রেকর্ড হয়েছে, এ মামলায় ১ জনকে আটক করা হয়েছে, বাকিদের ধরার জন্য চেষ্টা চলছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button