অপরাধআইন – আদালত

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রশাসনের নাকের ডগায় পতিতা বাণিজ্য প্রশাসনের নিরব ভূমিকা 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা মোড়ে স্থানীয় প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিনিয়ত পতিতা বাণিজ্য প্রতিকারের ভূমিকায় নেই কেউ । হোটেল কতৃপক্ষ কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই স্থানীয় ক্ষমতার দাপটে প্রকাশে চলছে আবাসিক হোটেল ব্যবসা । পতিতা বাণিজ্য সমাজের মধ্যে অসামাজিক কার্যকলাপ অপরাধীদের আস্থানা রুম ভাড়া ও জাঁকজমক পতিতা বাণিজ্যে । ঢাকা-টাংগাইল ও উওরবঙ্গের বাস টার্মিনাল ব্যস্ততম স্থান চন্দ্রা মোড়ে ২৪ ঘন্টাই টার্মিনালের বাসের অপেক্ষায় সাধারণ যাত্রী , আশেপাশের পোশাক তৈরির কারখানার নিন্ম আয়ের শ্রমিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় জনসাধারণ হরহামেসাই চলাফেরায় ব্যস্ত । জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাইমারী হাই স্কুল,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ কেন্দ্রীয় সুবর্ণ জামে মসজিদ, এতিমখানা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন পোশাক শিল্প কারখানা থাকায় ব্যবসার নামে নারী ব্যবসায়ীর সিন্ডিকেট দালাল চক্রটি স্থানীয় অসাধু লোকজনের মাধ্যমে আবাসিক হোটেল নামে রুম ও নারী পতিতা বাণিজ্য শুরু করেন। কালিয়াকৈর থানায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আবাসিক হোটেল অভিযানে নারী পুরুষ সহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেন পুলিশ । প্রশাসনের অভিযানের খবর পেয়ে আবাসিক হোটেলের মালিক বাবুল মিজি সহ সবাই পালিয়ে যান । উক্ত ঘটনায় আবাসিক হোটেলে সিলগালা না হওয়ায় পুনরায় কিছুদিন পরে নাম ঠিকানা পরিবর্তনে চন্দ্রা মোড়ে অদৃশ্য গোপন যোগসাজশে আবার আবাসিক হোটেলে রুম ও পতিতা বাণিজ্য শুরু করেন কর্তৃপক্ষ । পতিতা বাণিজ্যের বেপারে বর্তমানে প্রশাসনের নিরব ভূমিকায় প্রশ্ন সুশীল সমাজে । কর্তৃপক্ষ অসামাজিক কার্যকলাপে রুম ও পতিতা বাণিজ্য বেপরোয়া অদৃশ্য গোপন সেলটারের দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক হোটেল ব্যবসার নামে ১। মোঃ বাবুল মিজি ২। মোঃ শাহজাহান ৩। মোঃ সহিদুল ইসলাম একটি দালাল চক্র সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আবাসিক বোডিং হাউজের অন্তরালে শাপলা, মেঘলা,পদ্মা ও চাঁদপুর রুম ও নারী যৌনকর্মীদের দিয়ে গোপনে ও প্রকাশ্যে ২৪ ঘন্টা অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের ১’শ থেকে ২’শ গজের মধ্যে হাঁট বাজার,মার্কেট, হাসপাতাল,স্কুল,কলেজ,মসজিদ,
এতিমখানা মাদ্রাসা সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, এবং শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সুশীল সমাজের সর্বস্তরের জনসাধারণের মহাসড়কে চলাচল থাকায় স্থানীয়রা ও সাধারণ মানুষ এখন হতাশাগ্রস্ত অবস্থায় । বিভিন্ন সময় পত্রিকা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ও স্থানীয় প্রশাসনকে লোকজন মুঠোফোনে অবহিত করা হলে ও কোন প্রকার হস্তক্ষেপে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সাধারণ জনমনে প্রশ্ন উঠেছে । প্রতিনিয়ত চন্দ্রা প্রশাসন ডিউটি চলমান রয়েছে তাহলে কিভাবে দীর্ঘদিন হোটেল কর্তৃপক্ষ অসামাজিক কার্যকলাপ পতিতা বাণিজ্য দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সুশীল সমাজের সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্নঃ ভবিষ্যতে তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন চরম ক্ষতিসাধনে আসক্ত হতে পারে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের সঠিক হস্তক্ষেপ না থাকায় বর্তমানে এলাকার সাধারণ লোকজন ও স্থানীয়রা জানায় তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে সবসময় মানসিক ভুগান্তিতে ভুগছেন। স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্কুল, কলেজ মাদ্রাসার সকল শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দূরত্ব আইনি
 ব্যবস্থা গ্রহণ প্রতিষ্ঠানে সিলগালা সহ সর্বস্তরের স্থানীয় সাধারণ লোকজনদের দাবী ও প্রত্যাশা ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button