অপরাধআইন – আদালত
dailyaporadhprokashজুন ২৬, ২০২৪
বগুড়ায় স্বামী-সন্তান রেখে পরকীয়ায় গৃহবধূ, স্বামীকে তালাকের মাধ্যমে হলো বিচ্ছেদ


বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে পরকীয়া প্রেমের টানে কোলের সন্তান রেখে স্বামীকে তালাক দিয়েছেন পিংকি আক্তার নামে এক গৃহবধূ।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের ধলিরকান্দি বন্যা নিয়ন্ত্রণ (বেড়িবাঁধ) বাঁধ এলাকায়।
সরে জমিনে গেলে জানা যায়, ১২ বছর পূর্বে কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের নান্দিয়ার পাড়া গ্রামের আবু বক্কর মোল্লার ছেলে মহিদুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের ছাইফুল ইসলামের মেয়ে পিংকি আক্তারের বিয়ে হয়। মহিদুল পিংকি দম্পতির ১১ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ৫ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
সাংসারিক অভাব অনটনের জন্য স্ত্রী সন্তান বাড়ীতে রেখে মহিদুল ইসলাম কর্মের তাগিদে চট্টগ্রাম থাকতো। বেশ কিছু দিন সেখানে কাজ করে দেড়মাস আগে মহিদুল তার স্ত্রী পিংকি আক্তারের কাছে দেড় লক্ষ টাকা জমা রেখে আবারও চট্টগ্রাম চলে যায়। এর মধ্যে পিংকি আক্তার তার প্রতিবেশি জামাল প্রামানিকের ছেলে রাহাত হোসেনের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে।
পিংকি আক্তার তার স্বামী মহিদুল ইসলাম কে তালাক না দিয়েই আড়াই মাস আগে বগুড়া কোর্টে গিয়ে রাহাত হোসেনের সাথে এভিডেভিট করে বিয়ে করে। সেই থেকে তারা গোপনীয় ভাবে শারীরিক মেলামেশাও করতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে গত ২৩শে জুন ২০২৪ ইং তারিখ রাত সাড়ে ১১ টার দিকে রাহাত হোসেন পিংকি আক্তারের ঘরে ঢুকে। রাত ১২ টার দিকে পিংকি আক্তারের ১১ বছর বয়সী মেয়ে টের পেয়ে তার মা পিংকি আক্তার কে বলে রাহাত কেনো ঘরে ঢুকেছে বের করে দাও।
এ-সময় পিংকি আক্তার তার মেয়েকে চুপ থাকতে বলে নইলে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয়।
তখন তার মেয়ে ভয় পেয়ে বটি হাতে নিয়ে প্রতিবাদ করে। এসময় আশপাশের লোকজন এসে ঘরে ঢুকে তাদেরকে হাতেনাতে আটকে রাখে।
২৪ শে জুন ২০২৪ইং তারিখ বিকেলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য বক্তিবর্গ ও উভয় পক্ষের অভিভাবক সহ প্রায় ৫’শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে বিচার সালিশ বৈঠক বসানো হয়। এতে উভয় পক্ষের পাওনাদি বুঝিয়া নিয়ে পিংকি আক্তার মহিদুল ইসলামকে তালাক করেন। এরপর পিংকি আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক রাহাত হোসেন এর মধ্যে স্ট্যাম্পে সহি স্বাক্ষর করে রাখা হয়। শরীয়ত মোতাবেক সময় মতো তাদের বিয়ের ব্যবস্থাও করা হবে।
এসময় কর্ণিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন দিপন, কর্ণিবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তুহিন মন্ডল, আব্দুর রশিদ, মিজানুর রহমান মেম্বার সহ প্রায় ৫’শতাধিক নারীপুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের ধলিরকান্দি বন্যা নিয়ন্ত্রণ (বেড়িবাঁধ) বাঁধ এলাকায়।
সরে জমিনে গেলে জানা যায়, ১২ বছর পূর্বে কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের নান্দিয়ার পাড়া গ্রামের আবু বক্কর মোল্লার ছেলে মহিদুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের ছাইফুল ইসলামের মেয়ে পিংকি আক্তারের বিয়ে হয়। মহিদুল পিংকি দম্পতির ১১ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ৫ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
সাংসারিক অভাব অনটনের জন্য স্ত্রী সন্তান বাড়ীতে রেখে মহিদুল ইসলাম কর্মের তাগিদে চট্টগ্রাম থাকতো। বেশ কিছু দিন সেখানে কাজ করে দেড়মাস আগে মহিদুল তার স্ত্রী পিংকি আক্তারের কাছে দেড় লক্ষ টাকা জমা রেখে আবারও চট্টগ্রাম চলে যায়। এর মধ্যে পিংকি আক্তার তার প্রতিবেশি জামাল প্রামানিকের ছেলে রাহাত হোসেনের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে।
পিংকি আক্তার তার স্বামী মহিদুল ইসলাম কে তালাক না দিয়েই আড়াই মাস আগে বগুড়া কোর্টে গিয়ে রাহাত হোসেনের সাথে এভিডেভিট করে বিয়ে করে। সেই থেকে তারা গোপনীয় ভাবে শারীরিক মেলামেশাও করতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে গত ২৩শে জুন ২০২৪ ইং তারিখ রাত সাড়ে ১১ টার দিকে রাহাত হোসেন পিংকি আক্তারের ঘরে ঢুকে। রাত ১২ টার দিকে পিংকি আক্তারের ১১ বছর বয়সী মেয়ে টের পেয়ে তার মা পিংকি আক্তার কে বলে রাহাত কেনো ঘরে ঢুকেছে বের করে দাও।
এ-সময় পিংকি আক্তার তার মেয়েকে চুপ থাকতে বলে নইলে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয়।
তখন তার মেয়ে ভয় পেয়ে বটি হাতে নিয়ে প্রতিবাদ করে। এসময় আশপাশের লোকজন এসে ঘরে ঢুকে তাদেরকে হাতেনাতে আটকে রাখে।
২৪ শে জুন ২০২৪ইং তারিখ বিকেলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য বক্তিবর্গ ও উভয় পক্ষের অভিভাবক সহ প্রায় ৫’শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে বিচার সালিশ বৈঠক বসানো হয়। এতে উভয় পক্ষের পাওনাদি বুঝিয়া নিয়ে পিংকি আক্তার মহিদুল ইসলামকে তালাক করেন। এরপর পিংকি আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক রাহাত হোসেন এর মধ্যে স্ট্যাম্পে সহি স্বাক্ষর করে রাখা হয়। শরীয়ত মোতাবেক সময় মতো তাদের বিয়ের ব্যবস্থাও করা হবে।
এসময় কর্ণিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন দিপন, কর্ণিবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তুহিন মন্ডল, আব্দুর রশিদ, মিজানুর রহমান মেম্বার সহ প্রায় ৫’শতাধিক নারীপুরুষ উপস্থিত ছিলেন।




Daily Aporadh Prokash