

বিপ্লব হোসেন :
টাংগাইল জেলার গোপালপুর থানাধীন হেমনগর ইউনিয়ন এর ভোলার পাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরহুম সোহরাব চেয়ারম্যান সহ সকল কবর বাসীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে করব জিয়ারত করেন,
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী এডভোকেট মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু।
কবর জিয়ারত শেষে তিনি বলেন, স্বৈরাচার হাসিনা সরকার আমাকে মিথ্যা একটি মামলা দিয়ে দীর্ঘ ১৭টি বছর কারারুদ্ধ করে রেখেছিল।
সেখানে আমাকে শারীরিক এবং মানষিক নির্যাতন করা হতো প্রতিনিয়ত।
শুধু তাই নয়,আমার গর্ব ধারিণী মায়ের জানাজাতেও যেতে দেওয়া হয়নি আমাকে!
২০২৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনের পর আমি
ভেবেছিলাম আমার মৃত্যু অবধারিত।
কিন্তু মহান আল্লাহ তা’য়ালার অশেষ মেহেরবানী আর মা”বোনদের কোরআন তিলাওয়াত সহ আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় আল্লাহর রহমতে আমি আপনাদের মাঝে আবার ফিরে এসেছি।
আমার আর কোনো চাওয়া পাওয়া নাই।
প্রিয় ভাই-বোনেরা, আমার দুটি মেয়ে ছাড়া আর কোনো ছেলে সন্তান নেই, কোনো চাহিদাও নেই।
শুধু একটা কথা মনে রাখবেন, “অধিক সম্মান এবং অধিক সম্পদ কখনো একসাথে আসে না।
আপনারা জানেন,
আমার গোপালপুর ও ভূঞাপুরের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীরা প্রয়াত হয়েছেন, যাদের সাথে আমাদের আর কোনদিন দেখা হবে না।
মহান আল্লাহ তা’য়ালা তাদেরকে-সহ জুলাই আগস্টে যারা শহীদ হয়েছে তাদের সকলকে’ই বেহেস্ত নসিব করুন।
এসময় গোপালপুর ও ভূঞাপুর বাসীর জন্য তিনি আরও বলেন,
আমি কথা দিচ্ছি যতদিন বেঁচে থাকবো আপনাদের সুখে-দুখে সব সময় পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
শুক্রবার (১৩ জুন) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানাধীন হেমনগর ইউনিয়ন এর ভোলার পাড়া গ্রামের মরহুম কালু শেখ এর পুত্র, প্রয়াত বিএনপি নেতা সোহরাব চেয়ারম্যান, নলিন গ্রামের মানিক তালুকদার ও শাখারিয়া গ্রামের হাজী সুলতান খাঁন ও আনিছুর রহমান মাষ্টার সহ সকল কবর বাসীদের কবর জিয়ারত শেষে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনে দ্রুত একটি অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন। জনগণ তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থী ও সরকার নির্বাচিত করবে। তবেই গনতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, গোপালপুর উপজেলা বিএনপি’র কার্যকরি সদস্য মারুফ তালুকদার রাহীম, গোপালপুর থানা কৃষক দলের সভাপতি, মোঃ হাতেম প্রফেসর, গোপালপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান মনির,
হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি গোলাম রোজ তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর
আলম খান,কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সদস্য সেলিম হোসেন মুন্না আকন্দ,
হেমনগর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার,সদস্য সচিব গিয়াস উদ্দিন এবং গোপালপুর উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, সোহরাব চেয়ারম্যান গোপালপুর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদ এর টানা তিন বারের সাবেক সফল চেয়ারম্যান ছিলেন।
তিনি ২০১০ সালের শুক্রবার (৩০’শে জুলাই) মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী লাভলী বেগম, তিন মেয়ে ও এক ছেলে সিফাত মাহমুদ বিপ্লব সহ তার বংশের অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।




Daily Aporadh Prokash