অর্থনীতিজাতীয়রাজনীতি

পদ্মার ডান তীর রক্ষায় ১১শত কোটি ৭৩ লক্ষ টাকার প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক শরীয়তপুর :

শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলার পূর্বনাওডোবা ইউনিয়নের পদ্মা সেতুর জিরো পয়েন্ট থেকে জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রায় ১১শ’ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে উদ্যেগ হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। প্রায় ৮.৬৭ কিলোমিটার এ প্রকল্প টি জুলাই ২০২৩ থেকে কাজ শুরু হয়ে জুন ২০২৬ এ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যায়।প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ও একনেক এ উপস্থাপন করার উদ্দেশ্যে, পরিকল্পনা কমিশন হতে পরিদর্শন আসলে, সাধারন জনগনের উদ্দেশ্য এমন তথ্যই জানান পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী এনামূল হক শামিম।

প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে,শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পদ্মা নদীর ডান তীরের ভাঙ্গন হতে মাঝিরঘাট জিরো পয়েন্ট এলাকা রক্ষা প্রকল্প।এ সময় পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও পরিকল্পনা টিমের হয়ে উপস্থিত ছিলেন
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এর
যুগ্মসচিব শিরিন সুলতানা,
উপসচিব শামসুল ইসলাম,সিনিয়র সহকারী সচিব ইসরাত জাহান,জাজিরা উপজেলার এসিল্যান্ড লাইলাতুল ইসলাম
আরো ছিলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিমাঞ্চল) রমজান আলী প্রমানিক,পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ফরিদপুর অঞ্চল) শাহজাহান সিরাজ।

আরো উপস্থিত ছিলেন মোবারক আলী সিকদার উপজেলা চেয়ারম্যান জাজিরা,আওয়ামিলীগ সভাপতি জি এম নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক আবুতালেব চৌকিদার,জাজিরার পৌর মেয়র ইদ্রিস মাদবর,বড়কান্দি ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান শফি উদ্দিন খলিফা ও স্থানীয় আওয়ামী নেতৃবৃন্দ এবং পদ্মাপাড়ের সাধারণ মানুষ।

এ সময় উপ-মন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী প্রজন্ম নিয়ে ভাবেন, সেজন্য তিনি আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ গড়তে চান। এজন্য তিনি দূরদর্শী পদক্ষেপ হাতে নেন। সেজন্য তিনি ডেল্টাপ্লান-২১০০ বাস্তবায়নেরও ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই মহাপরিকল্পনার সিংহভাগ কাজই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সারাদেশে নদী ভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।আর তারি ধারাবাহিকতায় জাজিরার পদ্মাপাড় এলাকায়ো, শরীয়তপুরের নড়িয়ার মতো করে জয় বাংলা এভিনিউ এর মতো আরো একটি জয়বাংলা এভিনিউ তৈরী করা হবে।

এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান মোবারক আলী শিকদার তার বক্তব্যে সরকারের এমন উদ্যোগে প্রশংসা করেন ও পরিদর্শকদের শুভেচ্ছা জানান।

পরে নড়িয়ায় পানি ভবনে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পওর বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন উপমন্ত্রী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button