ভূমি কর্মকর্তা ও দালালদের নাটকীয়তার শেষ কোথায়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন দক্ষিণ বাঘবের মৌজাস্হ দাতা মৃত রহিচ উদ্দীন মেম্বারের নিকট হতে গ্রহিতা মৃত মনোয়ার হোসেন (মনু) ১৯৯৪ ইং সালে ১৬১৭ নং দলিল মুলে সাবেক দাগ (৫৩)মোট ভূমি ৯, ৯১ শতাংশ এর কাতে ১৪ শতাংশ ডোবা ভূমি গাজীপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সাফ কবলা মুলে রেজিস্ট্রি করেন। কিন্তু উক্ত ভূমির দালিলিক বর্ণনা মতে দেখা যায় এসএ,আরএস মতে ৫৩ দাগের মোট ভুমি ২৩,১১ একর তার মধ্যে ব্যাক্তি মালিকানা রেকর্ড ৯,৯১ একর, বন ১৩,২০ একর, সরেজমিন প্রতিবেদন প্রনয়ণ কালে দেখা যায় ৯,৯১ একর ডোবা ভূমির ব্যাক্তি মালিকানা রেকর্ড পর্চা দিয়ে উল্লেখিত দাতা রহিছ উদ্দীন বিক্রয় করে ১৩,২০ একরে বনের ঠান জাগায় দখল পজিশন বুঝিয়ে দেন,পরবর্তীতে উক্ত ভুমি মনোয়ার তাহার দুই মেয়ের নামে বেলএওয়াজ হেবানামা ৩০/১১/২০০৩ সালে হস্তান্তর করেন। সেই থেকে আজ অব্ধি বিনা বাধায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসিতেছেন। বিপত্তিবাদে তখন যখন উক্ত ভূমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করতে থাকেন আলেয়া বেগম, প্রথমে বন কর্মকর্তার বাঁধার মুখে নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকিলে এর কিছুদিন পর পুনরায় নির্মাণ কাজ চালু করলে সাংবাদিকদের চোখে পড়ে। এ নিয়ে একাধিক প্রিন্ট মিডিয়া সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় ক্ষিপ্ত হন বন কর্মকর্তা বনি শাহাদাত হোসেন এ নিয়ে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।




Daily Aporadh Prokash