আন্তর্জাতিকজাতীয়রাজনীতিসংস্কৃতি

রিয়াদে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষঠানে কেক কাটেন রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ

সিনিয়র প্রতিনিধঃ

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টারে অবস্থিত কালচারাল সেন্টারে এক সংবর্ধনার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে রিয়াদের মেয়র প্রিন্স ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ বিন আয়াফ যোগ দেন।এছাড়া সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল বিভাগের মহাপরিচালক রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ মোহাম্মদ আল রাশিদ, শুরা কাউন্সিলের সদস্য, সৌদি আরবের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন ও চেম্বার প্রতিনিধিরা সংবর্ধনায় যোগ দেন। সংবর্ধনায় রিয়াদের বিভিন্ন মিশনের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকগণ যোগ দেন। এছাড়া বাংলাদেশ কমিউনিটির চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার শতাধিক অভিবাসীও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের নিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী কেক কাটেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে সৌদিআরব ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) গভীর শ্রদ্ধায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেন। খবর বাপসনিউজ।

এ সময় রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতির পিতার নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত জাতিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরবের সম্পর্ক আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। যা আগামী দিনে ব্যবসা, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, মানবসম্পদ, পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।

অতিথিদের জন্য দূতাবাসের ফুল শোভিত বাগানে মনোরম পরিবেশে নৈশ ভোজের আয়োজন করা হয়। এছাড়া এ উপলক্ষে দূতাবাসকে লাল সবুজ আলোয় সজ্জিত করা হয়।

এর আগে গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রিয়াদের একশ’ তলা উচ্চতা বিশিষ্ট আইকনিক কিংডম টাওয়ারকে লাল সবুজে প্রথমবারের মতো সজ্জিত করা হয়। ওইদিন প্রবাসি বাংলাদেশিদের নিয়ে একটি আলোচনা অনুষ্ঠানসহ স্বাধীনতা দিবসের অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button