গ্রামপাঙ্গাসী পীরপাল শাহ্ সুলতান দরগা শরিফ এর অর্থ আত্মসাত এর অভিযোগ উঠেছে সভাপতি ফরহাদ এর বিরুদ্ধে।


সাথী সুলতানা স্টাফ রিপোটার
সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী বাজারে অবস্থিত পীরপাল শাহ সুলতান দরগা শরিফ এর মোটা অংকের টাকা আত্মসাত করার এবং বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সভাপতি ফরহাদুর রহমান এর বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার ২৬ শে জুলাই সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় দরগা শরিফ উন্নয়ন এর নামে দরগা কমিটির সভাপতি ফরহাদুর রহমান ৬০ হাজার টাকা নিজের পকেটে ভরে বসে আছে। এছাড়াও প্রতিবছর বাৎসরিক মাহফিলে ভক্তদের দানকৃত টাকা এবং দানবাক্সের টাকারও কোন হদিস নেই।
অন্য দিকে দরগার নামে ওয়াকফ এ্যাটেস্টের ৭৩ শতক ফসিল জমির ফসলের আয় ব্যায়ের হিসাব সভাপতি ছাড়া অন্য কোন ক্যাশিয়ার, সাধারণ সম্পাদক সহ কমিটির কেউ জানেনা।
এবিষয়ে সভাপতি ফরহাদুর রহমান বলেন আমার নিকট যে টাকা ছিলো তাহা দরগা শরিফ এর কাজে ব্যায় করা হয়েছে। এদিকে কোন কোন কাজে ব্যায় করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে সঠিক উত্তর দিতে পারেননি।
দরগা শরিফ এর সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ( বাচ্চু) বলেন আমি দরগা শরিফ এর কোন টাকা পয়সার খোঁজ খবর জানিনা সবই সভাপতি ফরহাদুর রহমান জানেন।
ক্যাশিয়ার সাইদুল ইসলাম বলেন আমি পীরপাল শাহ সুলতান দরগা শরিফ উন্নয়ন কমিটির ক্যাশিয়ার হাওয়ার পরে এ পযর্ন্ত গত আড়াই বছরে একটা টাকাও আমার হাতে আসে নাই। আর প্রতি বছর পঁচিশ শত টাকা দানবাক্স থেকে ওয়াকফ এটেস্টে জমা দেন সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক।
৭৩ শতক জমির টাকা ও বাৎসরিক মাহফিলের আয় ব্যায়ের হিসাবের কোন হদিস নেই। আর কমিটির অন্য সদস্যরা এসব বিষয়ে কিছুই জানেনা।
এদিকে এলাকার জনগণ ও দরগা শরিফ এর ভক্তবৃন্দরা দরগা শরিফ উন্নয়নে সকালের সহযোগিতা কামনা করেন এবং পীরপাল শাহ সুলতান দরগা শরিফ এর অর্থ আত্মসাত কারী ফরহাদুর রহমান এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রসাশনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




Daily Aporadh Prokash