আন্তর্জাতিকজাতীয়সংস্কৃতি

রংপুরে অসহায় সোলেমানের পরিবারের আর্থিক সাহায্যের জন্য  সমাজের বিত্তবান কাছে  আকুল আকুতি

মাটি মামুন রংপুর।
পক্ষান্তরে সোলেমানের ১৯/১১/২০২২ ইং তারিখে তার
মুখে ঘাঁ হলে পরবর্তীতে রংপুর থেকে ঢাকায় রেফার্ড করেন
সেখানে কর্মরত ডাক্তারের মুখের ক্যান্সার বলে ঘোষনা করেন।
বর্তমানে রংপুরের ডাঃ এস এম মুসা জুয়েল,সহকারি অধ্যাপক এর চিকিৎসাধীন কাছে।
রংপুরে সোলেমান মিয়া তার স্ত্রী রাহেলা বেগমের শেষ
আকুতি সোলেমানের চিকিৎসার জন্য দেশের বিত্তবান
ব্যক্তিদের ও সরকারের কাছে চিকিৎসার জন্য আর্থিক
সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। জানা গেছে সোলাইমান মিয়ার স্ত্রী রাহেলা বেগম ২০ বছর পূর্বে চিকিৎসকের ভুল
চিকিৎসার জন্য ডান চোখ অন্ধ হয়ে যায়।
এই অন্ধ স্ত্রীকে নিয়ে দুই মেয়ে নিয়েএকছেলেকে দিনমুজুরের কাজ করে অতিকষ্টে জীবন যাপন করে আসছে।
এর পর সোলেমান মিয়া মুখমন্ডলে ঘা হলে তা ক্যান্সারে
রূপান্তরিত হয়।
এই সোলেমান মিয়া ১৯৬৮সালে জন্ম গ্রহণ করেন তার জন্মস্থান রংপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার ১২নং ওয়ার্ডের মধ্য গোপীনাথপুর এলাকায়।
এদিকে তার অন্ধ স্ত্রী যৎসামান্য রুটিরোজগারের পয়সা দিয়ে দুই মেয়েকে বিয়ে দেন।
বর্তমানে তার এক ছেলে ঢাকায় দিনমুজুরের কাজ করেন। অপরদিকে তার ছোট মেয়ে সুলতানা খাতুন রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর চৌধুরী পাড়া গ্রামে বিবাহ হয় বিবাহের পর থেকে ১ ছেলে ১মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার চলছিল এদিকে ছোট মেয়ের জামাতার দুই চোখই অন্ধ হয়ে যায়।
এ নিয়ে তার ছোট মেয়ের পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা অকুল পাথারে অন্ধকারের মধ্যে খুব কষ্টে দিননিপাত করছে।
সংসারে চলছে চরম দারিদ্রতার কষাঘাত তারা কোন ভাবেই চিকিৎসার ব্যয়ভার করতে পারছে না এমকি সরকারি খরচে
চিকিৎসা করার কোন ব্যবস্থা চিকিৎসকগণ হচ্ছে না।
বলেছেন তার চিকিৎসা হলে সে সুস্থ্য হয়ে যাবে ।
এই সোলেমানের শুধুমাত্র বসতবাড়ী রয়েছে যদি দেশের বিত্তবান ও সরকার যদি তাকে সুচিকিৎসা এবং আর্থিক ব্যবস্থা করতেন তাহলে সে সুন্দর পৃথিবীর আলো দেখতে পারতো।
এ ব্যপারে রংপুরের সমাজ সেবক মোশারফ হোসেন তার পরিবারের খোজ খবরের জন্য চেষ্টা করেন অপর দিকে রংপুর সিটি কর্পোরেশন ১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মকবুল হোসেন, মহিলা সংরক্ষিত কাউন্সিলর শামীমা আক্তার সুমি তাদের যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছেন আমাদের জানামতে সোলেমান আলী একজন খেটে খাওয়া সৎ মানুষ ছিলেন তার পরিবারের এবং তার চিকিৎসার জন্য সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকের তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button