আশুলিয়ায় থানা পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে কে এই শাহআলম ?২য়-পর্ব


সাঈম সরকারঃ
ঢাকা জেলার বৃহৎ শিল্প এলাকা আশুলিয়ায় থানা পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধ জুয়া,লটারী পরিচালনাসহ নিষিদ্ধ পলিব্যাগ,ভাঙ্গাড়ি দোকান ও কেরাম বোর্ড থেকে প্রতিমাস কয়েক লাখ টাকা চাঁদা আদায়কারী কে এই শাহআলম?
ইতিপুর্বে একাধিকবার পত্র্র-পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পরেও ঐ শাহআলম গংদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ভাবে কঠোর কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরো সক্রিয় ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।প্রতিমাসে চাঁদার টাকা দিতে স্বীকার না করায় পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার হুমী প্রদান করেন ঐ শাহআলম গং। বাইপাইল সদর আলী কমপ্লেক্স (মাছ ওকাঁচা আড়ৎ) এর ১৫/১৭টি দোকানে নিষিদ্ধ পলিব্যাগ ব্যবসায়ীগণ বিষয়টি জানান।
তারা আরো বলেন, থানা পুলিশসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ম্যানেজ করার কথা বলেই প্রতি মাসে,প্রতি দোকান থেকে ৫/৭ হাজার টাকা হারে মাসয়ারা নেয় থানার ক্যশিয়ার পরিচয়ে শাহআলম ও তাজুল।
একই পরিচয়ে প্রতিটা কেরাম বোর্ড থেকে ৩০০শত টাকা হারে মাসয়ারা আদায় সহ সারা আশুলিয়ায় শাহআলমের অধিনে গভীর রাত-ভর বিভিন্ন বাসা-বাড়ী ও দোকানের ভিতরে চলছ অবৈধ জুয়া। চলছে রমরমা অবৈধ লটারীও। নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে ডি.ইপিজেড এর সামনে ও জামগড়া বটতলা এলকা এবং কুটুরিয়া আমতলা এলাকায় তার পরিচালনায় রয়েছে ৭/৮টি লটারীর নামে ব্লাকমেইল ব্যবসা। ভ্রম্যমান ভ্যানগাড়ীতে শত শত লোক জমাইয়া চলে এই লটারী।লটারীর মাধ্যমে প্রতিদিন সাধারণ মানুষের পকেট খালি করে নিয়ে যায় কয়েক লাখ টাকা।অথচ,ঐ শাহআলম জুয়া গং তাজুলের নামে রয়েছে একাধিক চাঁদাবাজি মামলা সহ বিভিন্ন অভিযোগ।
ভুক্তভুগীগণ ও স্থানীয়রা প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, শাহআলম ও তাজুলগং এই আশুলিয়া এসে প্রথমে রাতে রাস্তার ফুটপাতে ঘুমাতে দেখা যেত।এর পর রাজমিস্ত্রীর সাথে হেলপারি এবং পরে হাজী ওমর আলীর বাড়ীর কাজের লোক হিসাবে কাজ করে আসছিল। বর্তমানে তারা, আশুলিয়ার মাটিতে একাধীক বাড়ী এবং কয়েক কোটি টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স এর মালিক বনে গেছে।সব-ই সম্ভব হয়েছে চাঁদাবাজি আর জুয়া ও লটারীর টাকায়।
ঐ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহআলম সংবাদকর্মীদেরে বলেন যে, দীর্ঘ ১৫/২০ বছর ধরে মাসয়ারা আদায় করছেন।তিনি আরো বলেন, আদায় করা এই টাকার সবগুলো দিতে হয় থানা পুলিশসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে।ফলে,আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে কোন লাভ হয় না। যত পারেন লিখুন।আমি আপনার চেয়ে বড় বড় সাংবাদিকদের সবাইকে ম্যানেজ করেই করে আসছি।দেখতে পান না যে,অন্যন্য সাংবাদিকরা কেন আমার বিরুদ্ধে লিখে না। আপনার এত মাথা ব্যথা কেন?
এদিকে,আশুলিয়া থানার তদন্ত ওসি”র সরকারী ফোন নং ০১৩২০০৮৯৪০৪ তে সন্ধা ৬.১০ফোন করলে তা রিসিভ না হওয়ায় কোন মতামত জানা সম্ভব হয় নাই।




Daily Aporadh Prokash