

বিশেষ প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইল এর গোপালপুর উপজেলার পৌরশহরের সেই জীর্ন বৈরাণ সেঁতু পরিদর্শন করে গেলেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
(শুক্রবার) ৩ এপ্রিল সকালে তিনি সেঁতুর পরিস্থিতি স্বচক্ষে দেখার জন্য টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজার এবং এলজিইডি অফিস হয়ে গোপালপুর পৌরশহরের হাট বৈরাণ নদীর উভয় পাড় ঘুরে দেখেন।
এসময় মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী, ১৩১ টাঙ্গাইল-২ ( গোপালপুর ও ভূঞাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য (এমপি)
জনাব এড. মোঃ আব্দুস সালাম পিন্টু সাহেব,টাঙ্গাইল জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমান, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নবাব আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল,সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আবু ঈসা মুনিম, পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসান উথান, সাধারণ সম্পাদক চাঁন মিয়া,থানা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম তালুকদার লেলিন,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মাসুুদুজ্জামান মনির, প্রমুখ।
সরেজমিনে গোপালপুর উপজেলার হাট-বরিয়ান ধোপাকান্দি সড়কের ৫০ মিটার চেইনেজে ৪৫.০০ আর সি সি ব্রীজ
পরিদর্শনের সময় এলজিইডি প্রতিমন্ত্রী দেখতে পান বৈরাণ সেঁতুর, পাটাতনে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিম, উইংওয়াল ও অ্যাবাটমেন্টে ফাটল ধরেছে। ব্রজিটি যে কোন সময়ে নদীতে ধ্বসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান, পত্রপত্রিকার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈরাণ নদীর হাটবৈরাণ সেঁতুর দুর্দশা সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি প্রত্যন্ত এলাকার এ জনদুর্ভোগের অবসান ঘটানোর জন্য তাকে এখানে পাঠিয়েছেন। এবার খুব দ্রুতই এলাকাবাসির দুভোর্গের অবসান হবে। এখানকার সেঁতু নির্মাণে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেই সাথে অর্ধকিলোমিটার সংযোগ সড়ক পাঁকা হবে। এক দেড় মাসের মধ্যে ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি গার্ড়ার বৈরাণ ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এ সময়ে তিনি আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে কেমন উন্নয়ন হয়েছে জীর্ন বৈরাণ সেঁতু তার প্রমাণ। মাত্র দেড় মাসের মাথায় সরকার দেশব্যাপি খাল খননসহ বহু ধরনের উন্নয়ন মূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি যা প্রতিশ্রুতি দেয় তা রক্ষা করে। তিনি ইন্টারিম সরকারের আমলে করা কিছু বিধিনিষেধের কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে একটু দেরি হচ্ছে। সংসদে কিছু আইন পাশ হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত দেয়া হবে। পরে হাট বৈরাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন তিনি।




Daily Aporadh Prokash