অপরাধআইন – আদালত

ইয়াবা ব্যাবসায়ী আব্দুল্লাহ এখন চোরাকারবারি দলের মূল হোতা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দীর্ঘদিন আশুলিয়ার ভাদাইলে বসবাসরত মাদক কারবারি ও সফল ইয়াবা ব্যাবসায়ী আব্দুল্লাহ এখন মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নামে,উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অনুদানের পণ্য চোরাকারবারি দলের মূল হোতা হিসেবে কাজ করছেন ।

আব্দুল্লাহ টাংগাইল জেলার সদর উপজেলা ১২ নং মাহমুদ নগর ইউনিয়নের কুকুরিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের হাজী আবু ছাইয়েদ আলীর ছেলে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহ সাভার আশুলিয়ায় ইয়াবা সম্রাট আব্দুল্লাহ নামে খ্যাতি পেয়েছিলেন তিনি বহুত আগে। এখনো চলমান তার রমরমা ইয়াবা ব্যাবসা।
তথ্য সহায়তাকারী সুত্রে জানা যায় বিভিন্ন কৌশলে মাদক পাচার করেন আব্দুল্লাহ। তাঁর মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য কৌশল হলো, পায়ুপথ দিয়ে তলপেটের ভিতরে ইয়াবা প্রবেশ করিয়ে পাচার করা। যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য বলে জানিয়েছেন তথ্য সহায়তাকারী কয়েকজন (সোর্স)।

মাদক পাচার ও ব্যাবসার পাশাপাশি এখন নতুন এক চোরাকারবারি চক্রে লিপ্ত হয়েছেন আব্দুল্লাহ। কিছুদিন পূর্বে আশুলিয়ার ভাদাইলে একটি ভাড়াবাড়ীতে প্রায় ১০ লাখ টাকার সাবান, শ্যাম্পু,পাউডার, টুথপেষ্ট,বাচ্চাদের খাবার দুধ, ক্রোকারিজের আসবাবপত্র সহ প্রাইজগান,নকল সিল এবং চোরাই কৃত আরো অনেক পণ্য সহ হাতেনাতে ধরা পরে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে।

পুলিশের এক ব্যাক্তির রেফারেন্স এবং আর জীবনে এমন চোরাকারবারি ব্যাবসা করবে না জানিয়ে কয়েকজনকে সাক্ষি রেখে মুচলেকা দিয়ে ছাড় পেয়ে যায়।
অন্যদিকে অনুসন্ধানে জানা যায়, তার অধীনে প্রায় ৩০/৩৫ জন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। আশে পাশের এলাকার বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীকে দিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।

অবৈধ ব্যাবসায় কেহ বাধা প্রদান করলে ভাড়া করা মাস্তান দিয়ে মারধর এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অনেক অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মিথ্যা হয়রানি থেকে রেহাই পাইনি ইউপি সদস্যও।এমনি এক ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন আমি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১২ নং মাহমুদ নগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের একজন সফল ইউপি সদস্য।

আব্দুল্লাহ আমার ওয়ার্ডে এবং এলাকার সন্তান, আমি সবসময় তার ভালো চাই, প্রকাশ্যে তার এমন অবৈধ ব্যাবসা দেখার পরে আমি বাধা দিয়ে ছিলাম, বাধা দেওয়ায় সে আমার নামে ও আমার কিছু লোকজনের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। আমরা নাকি তার কাছে টাকা নিয়েছি এবং আরো টাকা দাবি করতেছি। আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি হস্তক্ষেপ কামনা করছি অতিদ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য।

আশুলিয়া, চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন থানায় আব্দুল্লাহর নামে রয়েছে একাধিক সাধারণ ডাইরি ও মাদক মামলা। পর্ব- ২

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button