অন্যান্যআইন – আদালত
dailyaporadhprokashজুলাই ১১, ২০২৪
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দিলো মাদক, সোনা,ফেনসিডিল ব্যবসায়ী রাজন,অবশেষে থানায় জিডি।


এইচ এম হাকিম,স্টাফ রিপোর্টার : চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার সীমান্তবর্তী মাধবখালী গ্রামের ফেনসিডিল, সোনা, ও বিভিন্য প্রকারের মাদক দ্রব্যর গড ফাদার বনে যাওয়া মাদক সম্রাট ও বিজিবি পুলিশের কথিত সোর্স রাজনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তার মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্ক নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রাজন সাংবাদিকদের উপর চরম ভাবে খিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের ওপেনিং ভাবে হত্যার হুলকি প্রদান করেছেন।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে জীবননগর থানায় জিডি করতে গেলে মাদক ব্যবসায়ী রাজনের বিরুদ্ধে জিডি নিতে জীবননগর থানার ওসি (তদন্ত )একরামুল হোসাইন ও শাহপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই মনিরুল আপত্তি তোলে। এসময় তারা সাংবাদিক সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যও করেন। তবে এক পর্যায়ে জিডি নিতে বাধ্য হয়। যা জীবননগর থানার জিডি নং- ৪৯৫ তারিখ : ১১/৭/২৪।
জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবখালী গ্রামের প্রান্তিক কৃষক আব্বাস উদ্দিনের ছেলে রাজন (৩৫)এলাকায় একজন চিহ্নিত মাদক, সোনা ও ফেনসিডিল ব্যবসায়ী ও বিজিবি পুলিশের কথিত সোর্স / সহযোগী হিসেবে বেশ পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন।
জীবননগরের বেশ কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা কর্মির সাথে আতাত আছে বলে মাদক সম্রাট রাজন ওপেনেই চালিয়ে যাচ্ছেন তার এই অব্যধ রাজত্ব।
সে তার মাদক ব্যবসাকে বৈধতা দিতে কিম্বা এলাকাবাসীকে বোকা বানাতে তার বাড়ির সাথে অতি সম্প্রতি মুদিখানা ও মোবাইল বিকাশ এর দোকান দিলেও অন্তরালে এলাকায় চুটিয়ে মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছেন ওপেন ভাবেই।
তার ব্যপারে গত ৪ই জুলাই ঢাকা থেকে প্রকাশিত “দৈনিক জনবাণী “ এবং চুয়াডঙ্গা থেকে প্রকাশিত আজকের খাস খবর পত্রিকায় গত ৭ই জুলাই একটি অনুসন্ধানী মুলক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এই সংবাদ প্রকাশের পর মাদক ব্যবসায়ী রাজন ভীষণ ভাবে সাংবাদিকরের উপর খিপ্ত হয় এবং সাংবাদিকদের কে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে রাজন সাংবাদিক জামাল হোসেন খোকনকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়। রাজন এলাকায় এক আতংকের নাম হওয়ায় এবং তার সাথে বিজিবি পুলিশের সখ্যতা থাকায় তার সব অপকর্ম ওপেন সিক্রেট হলেও তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননা বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
রাজন একজন প্রান্তিক কৃষকের ছেলে হলেও হঠাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে।
এদিকে রাজনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে সাংবাদিক জামাল হোসেন থানায় জিডি করতে গেলে। থানার ওসি(তদন্ত) একরামুল হোসাইন ও শাহপুর পুলিশ ফাড়ির এসআই মনিরুল ইসলাম জিডি নিতে গড়িমশি করে এবং সাংবাদিকদের সাথে অত্যান্ত বাজে আচারণ করেন। এঘটনায় জীবননগরের সাংবাদিক সমাজসহ সচেতন নাগরিক সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মাদক সম্রাট রাজনের বিরুদ্ধে জীবননগর থানা পুলিশ জিডি নিতে গরিমশি অবস্তানকে এক প্রকার খাটো করেছে পুরো সাংবাদিক সমাজকে, এমনটাই দাবী করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার সাংবাদিক নেতারা।
এব্যপারে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবীদ হাসান সাংবাদিক জামাল হোসেনকে মুঠো ফোনে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তিনি থানায় গিয়ে বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দেন।
এঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী রাজনকে আইনের আওতায় আনা ও সাংবাদিকের জিডি নিতে আপত্তি করা ২ পুলিশ কর্মকর্তাকে অপসারনের দাবী জানিয়েছেন অনেকেই।




Daily Aporadh Prokash