অপরাধআইন – আদালতজাতীয়রাজনীতি

আশুলিয়ায় পুর্বডেন্ডাবরে অসামাজিক অপরাধ বন্ধে ঐক্যবদ্ধ জনতাঃ

সাঈম সরকারঃ
জনবহুল শিল্প এলাকা আশুলিয়ায় পুর্বডেন্ডাবরে অসামাজিক ও অপরাধমুলক কর্মকান্ড বন্ধ করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন ছাত্র ও যুবসমাজসহ সাধারণ মানুষ। অবৈধ ভাবে নারীদের দারা অনৈকিত কাজ করার সময় হাতে-নাতে ধরা পরে ঐক্যবদ্ধ জনতার কাছে।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৮ ডিসেম্বর(বুধবার) সন্ধা ০৬টায় পুর্বডেন্ডাবর,বালুর মাঠের সামনে সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, জামিয়াতুল ইসলামিয়া সোমন মন্ডল মাদ্রাসা সংলগ্ন দুই রুমের একটি টিনসেট বাড়ী রয়েছে।বাড়ীর মালিকের নাম মনির হোসেন।বাড়ীর সামনে রয়েছে প্রায় শতাধিক ঐক্যবদ্ধ লোকের জমায়েত।
এসময় এলাকার জনগণসহ এলাকার ঐক্যবদ্ধ জনতা জানায়,গত ৩/৪ মাস ধরে ঐ বাড়ীতে সারাদিন ভর ও গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের লোকের চলাচল করতে দেখা যায়।এতে করে সবার মনে একটি সন্দেহ সৃষ্টি হয়।তাই, আমরা ঐক্যবদ্ধ জনতা সবাই সম্মিলিত ভাবে ঐ বাড়ীতে প্রবেশ করার পর দেখতে পাই একটি রুমের দরজা বন্ধ।কিছু সময় অপেক্ষা করছিলাম সেখানে।হঠাৎ দরজা খুলে বেড়িয়ে আসে দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক নর-নারী।তারা অবৈধ কাজে লিপ্ত থাকার কথা সিকার করেন এবং ঐ রুমের ভাড়াটিয়া মহিলাকে আসলাম নামে এক কথিত বিএনপি নেতা রুম দুইটি ভাড়া নিয়ে দিয়েছে বলে জানায়,ঐ ভাড়াটিয়া মহিলা। আরো জানায় যে,তার এই অনৈতিক কাজের যে কোন সমস্যা হলে সে সামলাবে। আর তার জন্য প্রতিমাসে বাধ্য হয়ে কথিত বিএনপি নেতা মোঃ আসলাম (৩৪),পিতা-মোঃ লতিফ শেখ-কে ০৬(ছয়)হাজার টাকা দিতে হয়।
ঐ বাড়ী সংলগ্ন মাদ্রাসার শিক্ষক জানায়,এসব অনৈতিক কাজের বিষয়টি বুঝতে পেরে বেশ কিছুদিন আগেই এলাকার মামুন নামে একজনের কাছে বিচার দিয়েছিলাম।অথচ,এখনও দেদারছে ঐ সব অনৈতিক কাজ চলছে। এসব বন্ধ না হলে ভবিষ্যত প্রজন্ম, ছাত্র ও যুবসমাজসহ সব বয়সের লোকে নারী লোভে নষ্ট হতে বেশি সময় লাগবে না। এই সকল অনৈতিক কাজের সহযোগি ও শেলটারদাতা সহ সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তির দাবিও জানান তিনি ।
বিএনপি ছাত্রদলের একজন ছাত্র জানান,এই অনৈতিক কাজে শেল্টার দেন সেচ্ছাসেবক দলের পরিচয়দানকারী আসলাম নামে একজন ।তিনি আরো বলেন, পাশেই আর্মির বাড়ী নামে পরিচিত একটি বাড়ীতে মদ তৈরীর কারখানাও রয়েছে।সেখানেও ঐ কথিত নেতা আসলাম শেল্টার দিয়ে থাকেন।এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জরিয়ে থাকার কথাও বলেন অন্যন্যরা।
মুঠো ফোনে জানতে চাইলে আসলাম বিষয়টি না সিকার করেন এবং তাকে চক্রান্তমুলক ফাসানো হচ্ছে বলে জানান।
বৃহস্পতিবার বিকালে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোঃ আবু বকর সিদ্দিক দৈনিক,”গণমুক্তি”কে বলেন যে, বিষয়টি তার জানা নেই তবে আসলামের ঠিকানা জেনে নেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button