

মেহেদী হাসান নিউজ ডেস্কঃ
ছোট্ট জীবনে পেয়েছি যে টুকু আলো হাসি আর গান
বেশিটাই তার মায়াময়ী ঐ মহীয়সিনীর দান।
আমি ঋণী অনন্তকাল আমি তার কাছে ঋণী
শত ব্যথা সয়ে হাসিমুখে আমার গর্ভে ধরেছে যিনি।
হাসিমুখে তিনি পুড়িয়া পুড়িয়া প্রসব বেদনা পীড়ায়
তাহার রক্ত ছড়িয়ে দিয়েছে আমার ধমনী শিরায়।
আমার শরীরে বহে যেই খুন যে প্রান প্রবাহমান
সবটুকু এই মায়ার আঁধার মমতাময়ীর দান।
জীবনের ঝড়ে যখনি দু চোখে অশ্রু করেছে হানা
নয়ন লুকাতে তখনি সে মহান মেলিয়া ধরেছে ডানা।
আমার সকল সুখ সৌরভে তিনি যে স্বাদের নুন
আমার সুখের ভরা তরুণীতে তিনিই টেনেছে গুণ।
জীবন যখনি হারিয়েছে দিশা জীবনের মহা স্রোতে
দুঃসাহসিনী সাগরে নামিয়া ধরেছে আঁচল পেতে।
গোছাতে আমার নয়নের পানি পোহাতে আঁধার রাতি
ভরা নিশীতের মহা তলে তিনি জ্বালিয়ে দিয়েছে বাতি।
আমার কানন কুসুমে ভরিয়া রাঙাতে পুষ্প দলে
আমার ধরনী ভিজিয়ে রেখেছে তাহারি চোখের জলে।
হাসি মুখে সব দুঃখ বেদনা সহিয়া তার ক্রোড়
আমারে বহিয়া জাগিয়া জাগিয়া রজনী করেছে ভোর।
তাহার সকল আমারে সপিয়া ফতুর হইয়া তিনি
আমারে যেমন ভরিয়ে দিয়েছে তেমনি করেছে ঋণী।
তাহার এই ঋণ এত বড় আর ভাবি বেশি এতটাই
তারে শোধিবার কি বা বহিবার ক্ষমতা আমার নাই।
এ ঋণের ভারে কাঁদে সদা প্রাণ কাঁপে সদা মোর গা
দয়া করে এ ঋণ ক্ষমা করে তুমি দাও না দরদি মা।




Daily Aporadh Prokash